বছরের সুপারমুন ২৯ আগস্ট-Sawdeshbarta24.Com


বছরের সুপারমুন ২৯ আগস্ট-Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট-২০আগস্ট ২০১৫

super moonফাহমিদা-আগামী শনিবার (২৯ আগস্ট) সুপারমুন। সেদিন চাঁদ অবস্থান করবে পৃথিবীর খুব কাছে।

সুপারমুন আসলে কী?

যখন নতুন চাঁদ সমানুপাতিক হারে পৃথিবীর কাছাকাছি অবস্থান করে তখন একে সুপারমুন বলে।

চাঁদের সঙ্গে পৃথিবীর গড় দূরত্ব দুই লাখ ৩৮ হাজার মাইল বা তিন লাখ ৮২ হাজার নয়শো কিলোমিটার। তবে সুপারমুনের সময় চাঁদের কেন্দ্র থেকে পৃথিবীর কেন্দ্রের দূরত্ব থাকে দুই লাখ ২৪ হাজার আটশো ৩৪ মাইল বা তিন লাখ ৬১ হাজার আটশো ৩৬ কিলোমিটারের মধ্যে।super moon.jpg023

চলতি বছর মোট ছয়টি সুপারমুন রয়েছে। এর মধ্যে তিনটি সুপারমুন পার হয়ে গেছে বছরের শুরুর দিকে। জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে দেখা দিয়েছিল তিনটি সুপারমুন। বাকি আরও তিনটি সুপারমুন ২৯ আগস্ট, ২৮ সেপ্টেম্বর ও ২৭ অক্টোবরে দেখা যাবে।২৯ আগস্ট সার্বজনীন সমন্বিত সময় (ইউনিভার্সাল টাইম কোঅর্ডিনেটেড) ১৮ টা বেজে ৩৫ মিনিটে দেখা যাবে আসন্ন চতুর্থ সুপারমুন। পূর্ণ এ চাঁদকে সুপারমুন বলার আরও একটি কারণ হলো, এসময় চাঁদ অন্য সময়ের তুলনায় ১৪ শতাংশ বড় ও ৩০ শতাংশ উজ্জ্বল হয়।super moon.jpg02.jpg56

পরবর্তী ২৮ সেপ্টেম্বরে হবে এ বছরের সবচেয়ে নিকটবর্তী সুপারমুন। এসময় পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব হবে দুই লাখ ২১ হাজার সাতশো ৫৪ মাইল বা তিন লাখ ৫৬ হাজার আটশো ৯৬ কিলোমিটার।কই সঙ্গে এই চাঁদ পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণের আয়োজন করবে। আর এটিই হবে ২০১৫ সালের রক্তিম চন্দ্রগ্রহণের শেষপর্ব। বছরের প্রথম রক্তিম চন্দ্রগ্রহণ হয়েছিল এপ্রিলের ১৫ তারিখ।

বছরের শেষ সুপারমুনটি দেখা যাবে ২৭ অক্টোবর সার্বজনীন সমন্বিত সময় ১২টা বেজে পাঁচ মিনিটে।

ADD LINK – http://www.revenuehits.com/lps/v41/?ref=@RH@XJSZHTG99YqDvicshzWnbA

http://paywapbd.com/adv/javascript/id/791

Advertisements

শিশু কিশোরী ও গৃহবধূসহ ৫ জনকে ধর্ষণ-Sawdeshbarta24.Com


শিশু কিশোরী ও গৃহবধূসহ ৫ জনকে ধর্ষণ-Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট-২০আগস্ট ২০১৫

rape02ফাহমিদা-রাজধানীতে কিশোরী, দুই শিশু, ভবঘুরে নারী ও গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গুলশানের এক ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের এক ছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। পল্লবীতে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন ভবঘুরে নারী। চকবাজারে গৃহবধূকে ধর্ষণ করে দেবর। সূত্রাপুরের কলতা বাজারে ষষ্ঠ শ্রেণীর এক ছাত্রী ধর্ষিত হয়। ধোলাইপাড়ে সাত বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এদের সবাইকে বুধবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে।

দশম শ্রেণীর ছাত্রী : গুলশান থানা পুলিশ জানায়, নিকেতনের বাসিন্দা ও ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্রীকে (১৫) অপহরণ করে তার বন্ধু নিশাত লিংকন। ওই ছাত্রীর সঙ্গে লিংকনের ৮ মাস ধরে প্রেম ছিল। কয়েকদিন আগে লিংকন ওই ছাত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে ছাত্রীর মা কৌশলে তার মেয়েকে উদ্ধার করার পর মঙ্গলবার রাতে গুলশান থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। এতে লিংকনকে আসামি করা হয়েছে। মেয়েটি ধর্ষিত হয়েছে কিনা তা প্রমাণের জন্য বুধবার বিকালে ওসিসিতে পাঠানো হয়। ওসিসিতে ওই ছাত্রী বা তার পরিবারের লোকজন কোনো কথা বলতে রাজি হননি।

গুলশান থানার এক এসআই জানান, বিষয়টি প্রেম ঘটিত। ছাত্রী স্বেচ্ছায় চলে গেছে অথবা তাকে প্ররোচিত করে অপহরণ করা হয়েছে। সে ধর্ষিত হয়েছে কিনা নিশ্চিত হওয়ার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গুলশান থানার ডিউটি অফিসার এসআই আবদুর রহিম জানান, আসামি লিংকনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী : কলতা বাজারে ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী (১২) এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে ওয়াহিদ মিয়া (২০) নামে এক যুবককে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। ছাত্রীর বাবা জানান, তিনি পেশায় রিকশাচালক। তার স্ত্রী বাসা বাড়িতে কাজ করেন। কলতা বাজারে তাদেরই পাশের বাসায় ভাড়া থাকে ওয়াহিদ। মঙ্গলবার বিকালে তিনি ও তার স্ত্রী বাসায় ছিলেন না। এ সুযোগে বাসার সামনে থেকে মেয়েকে তুলে নিজ বাসায় নেয় ওয়াহিদ। সেখানে তাকে ধর্ষণ করে। পরে ওই ছাত্রী তার মা-বাবাকে ঘটনাটি জানায়। স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা চলে। তাতে ব্যর্থ হওয়ার পর থানায় মামলা করেন।

সাত বছরের শিশু : ধোলাইরপাড়ে আরও এক শিশুকে (৭) ধর্ষণের অভিযোগ করেছেন তার মা-বাবা। বুধবার সকালে শিশুটির বাবা তাকে ওসিসিতে নিয়ে আসেন। সেখানে বলা হয় দুই দিন আগে ৬২০ ধোলাইরপাড়ের বাসায় প্রতিবেশী এক তরুণ তার মেয়েকে ধর্ষণ করে পালিয়ে গেছে।

গৃহবধূ : চকবাজারের ইসলামবাগে সুরুজ মিয়া (৩০) নামে এক ব্যক্তি তার চাচাতো ভাইয়ের স্ত্রীকে (২৫) ধর্ষণ করে। ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই সেন্টু চন্দ্র দাস জানান, ঢামেক হাসপাতালে ওই গৃহবধূর মেডিকেল পরীক্ষা করা হয়েছে। ধর্ষণের শিকার গৃহবধূর স্বামী জানান, সুরুজ ভয়ভীতি দেখিয়ে তার স্ত্রীকে ধর্ষণ করে। এ বিষয়ে তিনি থানায় মামলা করবেন।

ভবঘুরে নারী : পল্লবী থানার এসআই শহীদুল ইসলাম জানান, বুধবার মিরপুর সেকশন-১২ এর সি-ব্লকের আল আমিন ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের কাছে রাস্তা থেকে এক নারীকে (২২) উদ্ধার করা হয়। তিনি নিজের নাম বলেননি। কোনো কিছু জিজ্ঞাসা করলেই উল্টাপাল্টা কথা বলেন এবং গালমন্দ করেন। তার পরনে নোংরা ছেঁড়া কাপড় ছিল। পল্লবী থানার ওসি দাদন ফকির জানান, ওই নারীর শরীর থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। দেখে মনে হয়, তিনি ভবঘুরে ও পাগল। রক্তক্ষরণের ধরন থেকে ধারণা করা হচ্ছে তিনি গণধর্ষণের শিকার। নারী এসআইও তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে কোনো তথ্য উদ্ধার করতে পারেনি। মেডিকেল রিপোর্ট হাতে পেলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে ।

৪ ডাকাত নিহত -Sawdeshbarta24.Com


৪ ডাকাত নিহত -Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট-২০আগস্ট ২০১৫

indexপলাশ,চাঁপাইনবাবগঞ্জ : বুধবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে চাঁপাইনবাবঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার মোকরমপুর ব্রিজের কাছে ডাকাতি করার সময় স্থানীয়রা সশস্ত্র ডাকাত দলকে ঘিরে ফেলে। এ সময় গণপিটুনিতে ৪ ডাকাত নিহত ও ১ জন গুরুতর আহত হয়। ডাকাতদের বহনকারী ভ্যানচালক রুবেলকে (২৫) আটক করেছে পুলিশ। গোমস্তাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ ফিরোজ আহমেদ জানান, বোয়ালিয়ার দিক থেকে ভ্যানগাড়িতে করে আসা ডাকাত দলটি রহনপুর-ভোলাহাট সড়কের মহানন্দা ব্রিজের ওপর একটি মোটরসাইকেলের গতিরোধের চেষ্টা করে। এতে ওই মোটরসাইকেল আরোহী চিৎকার দেন। আশপাশের লোকজন ডাকাতদের ধরে গণপিটুনি দেয়। এতে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য ও শিবগঞ্জের মির্জাপুর গ্রামের কালু মিয়ার ছেলে রাব্বানী (৩৫) ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। অজ্ঞাত ৩ ডাকাতকে গুরুতর আহত অবস্থায় পুলিশ উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। এ ব্যাপারে গোমস্তাপুর থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

পুলিশের কান কেটে নিল ইজিবাইক চালক-Sawdeshbarta24.Com


পুলিশের কান কেটে নিল ইজিবাইক চালক-Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট-২০আগস্ট ২০১৫

kan kata police_310880কানন-যশোরে দায়িত্ব পালনকালে ইজিবাইক চালকের হামলায় কানা কাটা পড়েছে আব্দুল মান্নান নামে এক ট্রাফিক পুলিশের। বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ট্রাফিক অফিসের অদূরে শহরের দড়াটানা তাজ ¯œ্যাক্স’র সামনে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ মান্নানকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত ট্রাফিক পুলিশ আব্দুল মান্নান খুলনার তেরখাদা এলাকার আব্দুল লতিফ শেখের ছেলে। তিনি যশোর শহরের পুলিশ লাইন টালিখোলা এলাকায় ভাড়া থেকে ট্রাফিক অফিসে কনস্টেবল (৬৭৬ নম্বর) পদে কর্মরত রয়েছেন।

 হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আব্দুল মান্নান জানান, তিনি দায়িত্ব পালনের সময় ইজিবাইকের সারিবদ্ধ হয়ে যাত্রী উঠাতে বলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে এক ইজিবাইক চালক তাকে পেছন থেকে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়।চিকিৎসক মনিরুজ্জামান লর্ড জানিয়েছেন, তার বাম কানের লতি কেটে পড়ে গেছে। এছাড়া বাম হাতে ও পাজড়ে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে তিনি আশংকামুক্ত।

এদিকে, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন যশোরের সহকারী পুলিশ সুপার ‘ক’ সার্কেল ভাস্কর সাহাসহ পুলিশের কর্মকর্তারা।

কুমিল্লায় বন্দুকযুদ্ধে গুলিবিদ্ধ শিশু-Sawdeshbarta24.Com


কুমিল্লায় বন্দুকযুদ্ধে গুলিবিদ্ধ শিশু-Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট-সোমবার ১৭ আগস্ট ২০১৫

4_308966স্টাফ রিপোর্টার-কুমিল্লা মহানগরীর শুভপুরে রোববার দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে এক শিশু গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তার নাম হৃদয় (৪)। সে রিকশাচালক আরিফ মিয়ার ছেলে। হৃদয়কে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানান, তার হাতে ও পেটে গুলি লাগে। এর মধ্যে পেটে লাগা গুলি অপর পাশ দিয়ে বেরিয়ে গেছে। সকাল সাড়ে ৬টায় এ সংঘাতে আরও তিনজন আহত হয়।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, নগরীর চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী পূর্ব চানপুরের ভাবনা পুকুরপাড় এলাকার মিজান মিয়ার ছেলে নাজিম ও তার এক সহযোগীকে গত বছরের ডিসেম্বরে বিদেশী অস্ত্রসহ পুলিশ গ্রেফতার করে। এ গ্রেফতারের নেপথ্যে একই এলাকার মাদক ব্যবসায়ী প্রতিপক্ষ গ্রুপের সন্ত্রাসী আনোয়ারের যোগসাজশ রয়েছে বলে নাজিম সন্দেহ করে আসছিল। ৫ দিন আগে নাজিম জেলহাজত থেকে জামিনে বেরিয়ে আসে। ওই গ্রেফতারের জের ধরে নাজিম ও তার সহযোগীরা রোববার সকালে আনোয়ারের ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে উভয় গ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় ১০-১২ রাউন্ড গুলিবিনিময় হয়।

হৃদয়ের নানা মফিজ উদ্দিন ও মা মাহফুজা বেগম জানান, হৃদয় তাদের নিজ ঘরের সামনে দাঁড়িয়েছিল। এ সময় আচমকা একটি গুলি হৃদয়ের তলপেটের এক পাশ দিয়ে ঢুকে অন্য পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায় এবং আরেকটি গুলি তার বাঁ হাতে লাগে। সঙ্গে সঙ্গেই তারা তাকে নিয়ে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান। তারা আরও জানান, এসব সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীর অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. আলমগীর হোসেন যুগান্তরকে বলেন, শিশুটি হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার পেটে ড্রেসিং করা হয়েছে। অতিরিক্ত রক্তপাত হওয়ার কারণে অবস্থা গুরুতর হওয়ার আশংকায় তার বাম হাতের গুলিটি বের করা হয়নি।

প্যারাসিটামলে ৭৬ শিশুর মৃত্যুতে ৬ জনের কারাদণ্ড-Sawdeshbarta24.Com


প্যারাসিটামলে ৭৬ শিশুর মৃত্যুতে ৬ জনের কারাদণ্ড-Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট-সোমবার ১৭ আগস্ট ২০১৫

imagesস্টাফ রিপোর্টার-ভেজাল প্যারাসিটামল সেবনে ৭৬ শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ওষুধ প্রস্তুতকারি কোম্পানি বিসিআই ফার্মাসিউটিক্যালসের পরিচালক, ব্যবস্থাপকসহ ৬ জনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

এছাড়া প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- বিসিআই বাংলাদেশ কোম্পানির পরিচালক শাজাহান সরকার, নির্বাহী পরিচালক এস এম বদরদ্দোজা, পরিচালক নূরুন্নাহার বেগম, মাননিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপক আয়েশা খাতুন, পরিচালক শামসুল হক ও ব্যবস্থাপক (উৎপাদন) এমতাজুল হক।সোমবার দুপুরে ঢাকার ড্রাগ আদালতের বিচারক এম আতোয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় শুধু শাহজাহান সরকার উপস্থিত ছিলেন। বাকি আসামিরা পলাতক রয়েছেন।মামলাটি প্রায়  ২৩ বছর আগে দায়ের করা হয়েছিল।

রাজধানীর জিগাতলার কারখানায় উৎপাদিত প্যারাসিটামল সিরাপে (ব্যাচ নং- ৯২১০০২) বিষাক্ত পদার্থ থাকার বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় তৎকালীন ওষুধ প্রশাসন পরিদফতরের তত্ত্বাবধায়ক আবুল খায়ের চৌধুরী ড্রাগ আইনে আদালতে এ মামলাটি দায়ের করেন। ১৯৯২ সালের ১৮ নভেম্বর ওষুধ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ১৯৮২-এর ১৬(সি)/১৭ ধারায় মামলাটি করা হয়।

১৫টি খাবার পন্যে ৮০ ভাগই ভেজাল-বিশেষ প্রতিবেদন-Sawdeshbarta24.Com


১৫টি খাবার পন্যে ৮০ ভাগই ভেজাল-বিশেষ প্রতিবেদন-Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট-সোমবার ১৭ আগস্ট ২০১৫

vejalস্টাফ রিপোর্টার-তালিকাভুক্ত ৪৩ ধরনের পণ্যে ভেজাল পাওয়া গেছে। এসব পণ্যে শতকরা ৪০ ভাগ ভেজালের সন্ধান পেয়েছে জনস্বাস্থ্য ইন্সটিটিউট (আইপিএইচ)। এর মধ্যে ১৩টি পণ্যে ভেজালের হার প্রায় শতভাগ। ভেজাল বা নিুমানের খাদ্য শনাক্ত হলেও এগুলো বিক্রি বন্ধে সরকারের কোনো উদ্যোগ নেই। ফলে প্রতিদিন ভেজাল খাবারের প্রভাবে দুরারোগ্য ব্যধিতে আক্রান্তের আশংকা বাড়ছে।

ভোক্তাদের অভিযোগ- ভেজাল মেশানোয় পণ্যের মান কমছে। ছোট হচ্ছে আকার। দামও দিতে হচ্ছে বেশি। এভাবে প্রতিনিয়ত ঠকছেন ক্রেতা ও ভোক্তা। মুনাফা লুটছে অসাধু ব্যবসায়ী, উৎপাদক ও মধ্যস্বত্বভোগীরা। আইপিএইচ পরীক্ষা করেছে এমন পণ্যের মধ্যে বহুল ব্যবহৃত হচ্ছে সয়াবিন তেল। এ তেলে ফ্রি ফ্যাটি এসিডের (ফলিক এসিড) উপাদান পাওয়া গেছে শতকরা দুই দশমিক আট ভাগ। এ তেলে ফলিক এসিডের সহনীয় মাত্রা হচ্ছে শতকরা দুই ভাগ। ফলিক এসিডসহ অন্য সব মিলে সয়াবিনে ভেজালের মাত্রা দাঁড়িয়েছে শতকরা ৭৮ ভাগ। চালের মধ্যে ভেজালের পরিমাণ শতকরা পাঁচ ভাগ। একইভাবে অন্যান্য পণ্যেও ভেজাল শনাক্ত করেছে আইপিএইচ।

vejal2 মাঠ পর্যায়ের স্যানেটারি পরিদর্শকরা ২০১৪ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে খাদ্যপণ্যের নমুনা সংগ্রহ করেন। তারা এসব নমুনা জনস্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটের অধীন পাবলিক হেলথ ল্যাবরেটরিতে পাঠান। সরকারি এ প্রতিষ্ঠানটি ৪৩টি খাদ্যপণ্যের মোট ৫ হাজার ৩৯৬টি নমুনা পরীক্ষা করে। এর মধ্যে ২ হাজার ১৪৭টি নমুনাতেই মাত্রাতিরিক্ত ও ভয়াবহ ভেজালের উপস্থিতি ধরা পড়ে। শতকরা হিসাবে এ ভেজালের গড় হার ৪০ ভাগ। পরীক্ষায় দেখা গেছে, ৪৩টি পণ্যের মধ্যে ১৩টিতে প্রায় শতভাগ ভেজাল পাওয়া গেছে। ভেজালযুক্ত এসব খাদ্যপণ্য হচ্ছে- মধু, মিষ্টি, ঘি, রসগোল্লা, ডালডা, দই, সেমাই ও ছানা, ছানার মিষ্টি, চমচম, চাটনি, বিভিন্ন ধরনের জুস, লজেন্স ইত্যাদি। এর বাইরে প্রায় ৮০ শতাংশ ভেজালের অস্তিত্ব রয়েছে অতি ব্যবহার্য ভোজ্যতেলে। সয়াবিন তেলে ভেজালের হার শতকরা ৭৮ ভাগ, সরিষার তেলে ৫৬ ভাগ, পাম অয়েলে ৩২ ভাগ, নারিকেল তেলে ২৫। বাকি পণ্যগুলোতে ভেজালের মাত্রা হচ্ছে- জিরার গুঁড়ায় ১৮ শতাংশ, মরিচের গুঁড়ায় ৬০ শতাংশ, হলুদ গুঁড়ায় ৩১ শতাংশ এবং ধনিয়ার গুঁড়ায় ৫৩ শতাংশ ভেজাল চিহ্নিত হয়েছে। আটা ও আটাজাত দ্রব্যের মধ্যে আটায় শতকরা ভেজালের পরিমাণ ১১ ভাগ, ময়দায় ৯ ভাগ, সুজিতে ২৭ ভাগ, বিস্কুটে ৪৬ ভাগ, বেসনে ৫২ ভাগ এবং সেমাইয়ে ৮২ ভাগ ভেজালের উপস্থিতি পাওয়া যায়। মুগ ডালে ভেজালের পরিমাণ নয় ভাগ।

vej89অন্যদিকে চিনিতে ৫ শতাংশ, লবণে ৩৬ শতাংশ, চা পাতায় ১০ শতাংশ, আখের গুড়ে ৫৭ শতাংশ, খেজুরের গুড়ে ২৫ শতাংশ, মুগ ডালে ৯ শতাংশ, চাটনিতে ৮৩ শতাংশ এবং কেকে ৭০ শতাংশ ভেজাল চিহ্নিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ স্ট্যার্ন্ডাস অ্যান্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশনের (বিএসটিআই) দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, সঠিক মানের সয়াবিন তেল নির্ণয় করতে এর রং, এসিড ও আয়োডিন ভ্যালু, রেজিস্ট্রিভ ইনডেন্টিং ও মেল্টিং পয়েন্ট পরীক্ষা করা হয়। যেসব তেল সঠিক পরীক্ষার মধ্য দিয়ে পরিশোধন করা হয়, সেগুলোয় এসিড ভ্যালু কম থাকে। যেগুলোয় এসিড ভ্যালু বেশি থাকে সেগুলো পরিশোধন ছাড়াই বা স্বল্প পরিশোধনে বাজারজাত করা হয়।

তবে অভিযোগ আছে, দেশে ভোজ্যতেলের উৎপাদক ও আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো অতি মুনাফার লোভে খরচ বাঁচাতে শতভাগ পরিশোধন ছাড়াই বাজারজাত করছে এসব ভোজ্যতেল। এতে কৌশলে কিংবা ম্যানেজ ফর্মুলায় এড়িয়ে যাচ্ছে মান নিয়ন্ত্রণকারী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নজরদারি। এর ফলে এ ভোজ্যতেল প্রতিনিয়ত জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু ভোজ্যতেলই নয়, পরীক্ষায় ধরা পড়া সব ভেজালসামগ্রীই মানবদেহের জন্য মাত্রাতিরিক্ত ক্ষতির কারণ বলে জানান স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

অনিবন্ধিত সিম বিক্রি বন্ধে মাঠে নামছে মোবাইল কোর্ট-Sawdeshbarta24.Com


অনিবন্ধিত সিম বিক্রি বন্ধে মাঠে নামছে মোবাইল কোর্ট-Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট-সোমবার ১৭ আগস্ট ২০১৫

taranaস্টাফ রিপোর্টার-অনিবন্ধিত সিম বিক্রি বন্ধে বিভিন্ন পদক্ষেপের বিষয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেছেন, ইতিমধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন্য একটি চিঠি ড্রাফট করেছি, যেটি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে যাবে, মোবাইল কোর্ট যেন বিভিন্ন জায়গায় তাদের কাজ শুরু করে।
আজ রবিবার সচিবালয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ‘বঙ্গবন্ধুর ৪০তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠানে’ এসব কথা বলেন।বাজারে যত্রতত্র অনিবন্ধিত সিম বিক্রি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কিছুদিন আগে জিপিও এলাকায় পরিদর্শনে গিয়ে দেখেছি অবৈধ আনরেজিস্টার্ড সিম বিক্রি হচ্ছে, এ বিষয়ে আমি ঘোষণা দিয়েছিলাম পাঁচ দিনের মধ্যে কাজ শুরু করব।sim

তিনি বলেন, বিটিআরসির একটি মোবাইল টিম আছে। সেই টিম যেন সাতদিনের একটি ক্র্যাশ প্রোগ্রাম হাতে নেয়, যে আনরেজিস্টার্ড সিম আছে এবং বিক্রি হচ্ছে তা তারা বাজেয়াপ্ত করবে এবং আমরা এর সূত্রটি ধরতে চাই কোন রিটেইলারের মাধ্যমে আনরেজিস্টার্ড সিম বিক্রি হয়েছে এই সমস্ত দোকানে।
অভিযান চালাতে মন্ত্রণালয় থেকে জেলা প্রশাসকদেরও চিঠি দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
তারানা হালিম বলেন, ঢাকা শহরে যে ক্র্যাশ প্রোগ্রাম করা হবে সে রকম ডিসিরা তাদের এলাকায় অবৈধ সিম বাজেয়াপ্ত করবেন। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে যে জরিমানা ও শাস্তির বিধানগুলো আছে তা যেন কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা হয়।

গত বছর মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর অনিবন্ধিত সব সিম বন্ধ করতে নির্দেশ দিয়েছিল হাই কোর্ট।বিটিআরসি, বিটিআরসির চেয়ারম্যান, স্বরাষ্ট্র সচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিবসহ গ্রামীণফোন, বাংলালিঙ্ক, টেলিটক, রবি, এয়ারটেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবিলম্বে এই আদেশ বাস্তবায়ন করতেও বলা হয়েছিল।বিটিআরসির নীতিমালাকে তোয়াক্কা না করে অলিগলি থেকে শুরু করে সর্বত্র (ফ্লেক্সিলোডের দোকানে) বিক্রি নিবন্ধনহীন সিমের মাধ্যমে বিভিন্ন অপরাধ হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

শোক দিবসের ওপর আলোচনায় প্রতিমন্ত্রী তারানা বলেন, আমরা যদি কর্মদক্ষ বিভাগ এবং দুর্নীতির ঊর্দ্ধে উঠে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারি তখন সেই মন্ত্রণালয় সাফল্যমণ্ডিত হতে বাধ্য। আমরা এটিই দেখতে চাই এবং এটিই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল।

ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির গ্রেপ্তার-Sawdeshbarta24.Com


ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির গ্রেপ্তার-Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট-সোমবার ১৭ আগস্ট ২০১৫

image_257429.aস্টাফ রিপোর্টার-ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মো. আব্দুল হাকিমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ও বিজিবির যৌথ বাহিনী। হত্যা ও নাশকতাসহ একাধিক মামলার আসামি হিসেবে গতকাল রবিবার রাত দেড়টার দিকে শহরের হাজীপাড়া এলাকার বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি মেহেদী হাসান জানান, রবিবার রাত দেড়টার দিকে জেলা শহরের হাজীপাড়া এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) যৌথদল। এ সময় ওই এলাকায় অবস্থিত তার নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় তাকে।

তিনি বলেন, “হরতাল অবরোধে নৈরাজ্য সৃষ্টি, মাওলানা সাঈদীর ফাঁসির রায়কে কেন্দ্র করে পুলিশের ওপর হামলা, গত বছরের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের দিন সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারকে হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে ডজনখানেক মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে

অ্যাম্বুলেন্স থেকে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার-Sawdeshbarta24.Com


অ্যাম্বুলেন্স থেকে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার-Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট-সোমবার ১৭ আগস্ট ২০১৫

Yaba_sm2_569692022স্টাফ রিপোর্টার-কক্সবাজারে একটি অ্যাম্বুলেন্স থেকে দেড় কোটি টাকা মূল্যের ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বিজিবি। রবিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে জেলার মরিচ্যা চেকপোস্টে তল্লাশি চালিয়ে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় অ্যাম্বুলেন্সচালক ও এক নার্সকে আটক করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে আটকদের পরিচয় জানা যায়নি।

বিজিবি সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহম্মদ মোহসিন রেজা এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মরিচ্যা চেকপোস্টে নিয়মিত তল্লাশির সময় টেকনাফ থেকে কক্সবাজারগামী একটি অ্যাম্বুলেন্স থেকে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার মূল্য আনুমানিক দেড় কোটি টাকা। এ ঘটনায় অ্যাম্বুলেন্সচালক ও এক নার্সকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

নিয়ম ভঙ্গের দায়ে সচিবের গাড়িকে জরিমানা করলেন সার্জেন্ট অপূর্ব -Sawdeshbarta24.Com


নিয়ম ভঙ্গের দায়ে সচিবের গাড়িকে জরিমানা করলেন সার্জেন্ট অপূর্ব -Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট-সোমবার ১৭ আগস্ট ২০১৫

ssssssssssssssss-400x207-620x330স্টাফ রিপোর্টার-নীলক্ষেত কাঁটাবন চৌরাস্তার মোড়ে প্রচ- যানজট। যানজট সামলাতে মরিয়া হয়ে প্রচেষ্টা চালাচ্ছিলেন একজন ট্রাফিক সার্জেন্ট ও জনা দুয়েক ট্রাফিক কনস্টেবল। সিগন্যালের সবুজ বাতি জ্বলে ওঠার আগেই বাস, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল ও রিকশার এগিয়ে যাওয়া নিয়ন্ত্রণ করতে সার্জেন্টকে হাতে মোটা লাঠি নিয়ে ছুটোছুটি করতে দেখা গেল। নীলক্ষেত মোড় থেকে আসা গাড়িগুলো তখন সোজা উত্তর দিকে হাতিরপুল ও পূর্ব দিকে শাহবাগ মোড়ের দিকে যাচ্ছিল। এমন সময় পশ্চিমদিক থেকে রাস্তার উল্টোপথে দ্রুতবেগে কাঁটাবন মোড়ের দিকে ধেয়ে আসলো একটি দামী পাজেরো গাড়ি। গাড়ির সামনের আসনে গাড়িচালক ও তার সাথে ইউনিফর্ম পরিহিত এক পুলিশ সদস্য।
ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করতে দেখে সেদিকে ছুটে গেলেন পুলিশ সার্জেন্ট অপূর্ব। হাত দিয়ে ইশারা করে থামার নির্দেশ দিলেন। পুলিশ কনস্টেবল কিছুটা মেজাজ দেখিয়ে হাত দিয়ে সামনে থেকে সরে যাওয়ার ভঙ্গিতে বললেন, সচিব স্যারের গাড়ি, সরে দাঁড়ান, তাড়া আছে, যেতে হবে। এর পরের দৃশ্য হিন্দি ছায়াছবি ‘নায়ক’কে হার মানায়। একদিনের জন্য প্রধানমন্ত্রী হয়ে সেই ছবির নায়ক অনীল কাপুরকে যেমন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদী ভূমিকায় দেখা গিয়েছে সেই ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে দেখা গেল ট্রাফিক সার্জেন্ট অপূর্বকে।

হুঙ্কার ছেড়ে ধমকে উঠে ড্রাইভারকে লক্ষ্য করে বললেন, গাড়ি পেছনে নিন। যেদিকে থেকে এসেছেন সেদিকে ফেরত যান। সারাদিন রাস্তায় রোদে পুড়ি, বৃষ্টিতে ভিজে যানজট নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করি, তারপরও বদনাম হয়। আর আপনাদের মতো সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উল্টোপথে এসে যানজট আরো বাড়ান। নিজেদের ভাবেন কী? এ সময় সার্জেন্ট বলেন, গাড়ির কাঁচ নামান, দেখি কোন স্যার আছে। এ কথায় গাড়িচালককে কিছুটা ইতস্তত হতে দেখা গেলে জোরে ধমক দিয়ে জানালার কাঁচ খুলিয়ে দেখতে পান ভেতরে কেউ নেই। পুলিশ ও গাড়িচালক সার্জেন্টের সঙ্গে তর্কাতর্কি শুরু করলে সার্জেন্ট অপূর্ব ট্রাফিকের যুগ্ম কমিশনার বনজ কুমার মজুমদারের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করে সচিবের পুলিশ ও গাড়িচালকের ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করার বিষয়টি অবহিত করেন।

এ সময় উপস্থিত জনতা ট্রাফিক সার্জেন্টের পক্ষে অবস্থান নিলে অবস্থা বেগতিক দেখে সচিবের গাড়িচালক ও পুলিশ কনস্টেবল বাটা সিগন্যালের দিকে দ্রুত চলে যান। উপস্থিত জনতা তাকে সাহসী ভূমিকার জন্য অভিনন্দন জানাতে থাকে। আলাপকালে সার্জেন্ট অপূর্ব বলেন, চাকরির পরোয়া করিনা। যানজট নিয়ন্ত্রণে সারাদিন পরিশ্রম করি। আইন ভঙ্গ যেই করুক তার বিরুদ্ধে সোচ্চার হই। যুগ্ম কমিশনারের নির্দেশে গাড়ির নম্বরপ্লেট, গাড়িচালক ও পুলিশ কনস্টেবলের ফটোগ্রাফ তুলে রেখেছি।

রাজশাহীতে কারারক্ষি নিয়োগে ৭ কোটি টাকার তেলেসমাতি -Sawdeshbarta24.Com


রাজশাহীতে কারারক্ষি নিয়োগে ৭ কোটি টাকার তেলেসমাতি -Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট-রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০১৫

jailস্টাফ রিপোর্টার-রাজশাহী বিভাগে ৭০ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করেছে কারা অধিদফতরের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (প্রশাসন) আব্দুল জলিলের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের ওই কমিটি। অভিযোগ উঠেছে, সুপারিশকৃত ওই ৭০ জনের কাছ থেকে অন্তত: দশ লাখ টাকা করে ৭ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে ওই কমিটি। নিয়োগের জন্য ওই কমিটির সুপারিশ করা প্রার্থীদের নিয়োগ চুড়ান্ত করতে গিয়ে আপত্তি ওঠায় বেরিয়ে এসেছে ওই চাঞ্চল্যকর তথ্য। তবে এ নিয়ে মুখ খুলতে রাজি হননি সংশ্লিষ্ট কেউই। নতুন করে ওই নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে বাগড়া বাধায় বৃহস্পতিবার রাতে কমিটির সদস্যরা রাজশাহীতে এতে পৌঁছেছেন। এরপর থেকে দফায় দফায় রাজশাহী বিভাগের ডিআইজি প্রিজন বজলুর রশীদের সঙ্গে বৈঠকও করেছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ১৩ জুলাই দুটি জাতীয় সংবাদপত্রে কারারক্ষি/দেহরক্ষি ও মহিলা কারারক্ষি নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। গত ৩১ জুলাই শূণ্যপদে সরাসরি ওই নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ওই দিন রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের প্যারেড মাঠে।

এবার সাধারণ কোটায় কারারক্ষি/দেহরক্ষি পদে রাজশাহীতে ৩জন, নওগাঁয় ৫জন, নাটোরে ২জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৪জন, বগুড়ায় ৭জন, জয়পুরহাটে ২জন এবং পাবনায় ৩জন নিয়োগের কথা রয়েছে। এছাড়া মহিলা কারারক্ষি পদে শুধুমাত্র সিরাজগঞ্জে একজন নিয়োগের কথা রয়েছে। এর বাইরেও রয়েছে সরকারী নীতিমালা অনুযায়ী মুক্তিযোদ্ধা, আনসার/ভিডিপি, এতিম ও উপজাতীসহ বিভিন্ন কোটা। সব মিলিয়ে রাজশাহী বিভাগে পদ রয়েছে ৬৮টি। কারা অধিদফতরের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (প্রশাসন) আব্দুল জলিলের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের একটি নিয়োগ কমিটি ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় তদারকি করছে। ওই কমিটি রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার ও রাজশাহী বিভাগের ডিআইজি প্রিজনের দফতরের কোন কর্মকর্তাকে রাখা হয়নি। সব প্রক্রিয়া শেষে গত ৩ আগস্ট ওই কমিটি ৭০ জনের তালিকা তৈরী করে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করে। এর আগে নিয়োগের জন্য লাইনে দাঁড়ান ১ হাজার ২০০ জন চাকরি প্রত্যাশী। এর মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন ২০০জনের মত।
অভিযোগ উঠেছে, ওই কমিটি নিয়োগের ক্ষেত্রে কোন নীতিই মানেনি। প্রতি জেলায় নির্ধারিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করেছে। এছাড়া প্রযোজ্য নয় এমন প্রার্থীদেরও নিয়োগের জন্য সুপারিশ করেছে সংরক্ষিত আনসার/ভিডিপি, এতিম ও উপজাতীসহ বিভিন্ন কোটায়।
প্রার্থী না থাকলেও সংরক্ষণ করা হয়নি মুক্তিযোদ্ধা কোটা। মুক্তিযোদ্ধা কোটা প্রযোজ্য নয় এমন প্রার্থীদের দেখানো হয়েছে ওই কোটায়। আর এ পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ব্যাপক অর্থ বানিজ্য করে নিয়োগ কমিটি। নিয়োগ প্রক্রিয়া চুড়ান্ত করতে গিয়ে কমিটির সুপারিশকৃত ওই ৭০ জন প্রার্থীর আবেদনপত্রে অন্তত: দুই শতাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। আর এতেই থমকে গেছে নিয়োগ প্রক্রিয়া। সহায়-সম্বল বিক্রি করে টাকা জমা দেয়া সত্তে¡ও নিয়োগ চুড়ান্ত হওয়া নিয়ে চরম অনিশ্চতায় রয়েছেন চাকরি প্রত্যাশীরা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিরাজগঞ্জের এক নিয়োগ প্রত্যাশী জানান, তার বাবা কাররক্ষি পদে চাকরি করতেন। সম্প্রতি তিনি অবসরে গেছেন। বাবার পেনশন ও অন্যান্য সহায়-সম্বল বিক্রির ১০ লাখ টাকা তিনি ওই নিয়োগ কমিটিকে দিয়েছেন। চাকরি না হলে তার পরিবার পথে বসবে। শুধু তিনিই নন, আরো অনেকেই চাকরির জন্য টাকা দিয়েছেন বলে জানান ওই চাকরী প্রত্যাশী।

বর্তমানে নিয়োগ কমিটির ওই পাঁচ সদস্যই অবস্থান করছেন রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের অফিসার্স মেসে। শনিবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে সেখানে গিয়ে দীর্ঘ অপেক্ষার পরও সাক্ষাত মেলেনি কমিটির সদস্যদের। কয়েক দফা যোগাযোগ করেও মুঠোফোনে সংযোগ পাওয়া যায়নি নিয়োগ কমিটির প্রধান ও কারা অধিদফতরের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (প্রশাসন) আব্দুল জলিলের। শীর্ষ কর্মকর্তাদের নির্দেশে তিনি মুঠোফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন রেখেছেন বলে জানিয়েছেন ওই কমিটির দেখভালে নিয়োজিত কারারক্ষি মাহফুজুর রহমান। যোগাযোগ করা হলে রাজশাহী বিভাগের উপ কারা মহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন) বজলুর রশীদ জানান, নিয়োগ প্রক্রিয়া এখনো চলমান। পুলিশ ভেরিফিকেশনসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়া এখনো বাঁকি। এরপর নিয়োগের জন্য প্রার্থী চুড়ান্ত করা হবে। এসময় ওই কমিটির কোন প্রার্থীকেই নিয়োগের জন্য এখনো সুপারিশ করেনি বলে দাবি করেন তিনি।

রাজশাহীতে বিনম্র শ্রদ্ধায় জাতির জনককে স্মরণ-Sawdeshbarta24.Com


রাজশাহীতে বিনম্র শ্রদ্ধায় জাতির জনককে স্মরণ-Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট-রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০১৫

Shok1-300x108স্টাফ রিপোর্টার- রাজশাহীতে শোক ও বিনম্র শ্রদ্ধায় জাতীয় শোক দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সূর্যদয়ের সাথে সাথে কুমারপাড়ায় আওয়ামী লীগের মহানগর কার্যালয়ে কালো পতাকা উত্তোলন, জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিত উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরম্ন হয়। সকাল ১০টায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পমাল্য অর্পন করেন আওয়ামী লীগসহ মহাজোট নেতৃবৃন্দ।রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক সিটি মেয়র এ.এইচ.এম খায়রম্নজ্জামান লিটন দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে কুমারপাড়া আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। মহানগর কার্যালয়ের সামনে সৰিপ্ত বক্তব্যের পর বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

এসময় আরও উপসি’ত ছিলেন- রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলহ্‌জ্ব রফিক উদ্দিন আহমেদ, মীর ইকবাল, মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক অধ্যৰ শফিকুর রহমান বাদশা, নওশের আলী, প্রচার সম্পাদক হাবিবুর রহমান বাবু, মানবাধিকার সংগঠক এম.এ.হাবিব জুয়েল ও মহানগর সেচ্ছ্বাসেবক লীগ সাধারণ সম্পাদক জেডু সরকার প্রমুখ।

এদিকে, সন্ধ্যায় গণযোগাযোগ অধিদপ্তর মহানগরের লক্ষ্মীপুর মোড়ে বঙ্গবন্ধুর জীবনের ওপর প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করে। এছাড়াও বাংলাদেশ বেতার রাজশাহী দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করছে। রাজশাহীর বিভিন্ন স’ানীয় দৈনিক পত্রিকাসমূহ এদিন বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করেছে।ru9

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়:-জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গভীর শোক ও শ্রদ্ধায় এই দিনটি পালন করা হচ্ছে। দিবসের শুরুতে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসনভবনসহ অন্যান্য ভবনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল সাড়ে ৭টায় উপাচার্য প্রফেসর ড. মিজানুদ্দিন ও উপউপাচার্য সারওয়ার জাহান সজলের নেতৃত্বে কোষাধ্যক্ষ ও রেজিস্ট্রারসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ কালো ব্যাজ ধারন এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। সেখানে তারা বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন ও তার রুহের মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাতও করেন।
নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির: নগরীর আলুপট্টি বঙ্গবন্ধু চত্বরে নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভারর্সিটির আয়োজনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য পুষ্পমল্য অর্পণ শেষে ১৫ আগস্ট নিহতদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সদস্য ও নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দুল খালেক, উপ-উপাচার্য বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. মুহম্মদ আব্দুল জলিল ও মানবাধিকার সংগঠক এম.এ.হাবিব জুয়েল

পবা: শোক দিবসে পবা উপজেলা প্রশাসনসহ আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসুচি পালিত হয়। দলীয় কার্যালয়সহ ইউনিয়নগুলোতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান, পুষ্পার্ঘ অর্পণ, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এসব কর্মসুচিতে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সাংসদ আয়েন উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ইয়াসিন আলী, ,সাধারণ সম্পাদক মাজদার রহমান সরকার, উপজেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি আব্দুর রউফ নান্নু, সুফিয়া হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, নওহাটা পৌর যুবলীগ সভাপতি হাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক ও ছাত্রলীগ সভাপতি মেহেদী হাসান। এছাড়াও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল: প্রতিষ্ঠানটিতে তিনটি গ্রুপে চিত্রাঙ্কণ ও রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বিজয়ীদের মঝে পুরষ্কার বিতরণ করেন রাজশাহী অঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা উপপরিচালক ড. শরমনি ফেরদৌস ও মানবাধিকার সংগঠক এম.এ.হাবিব জুয়েল (প্রাক্তন ছাত্র)।

টুঙ্গিপাড়ার পথে প্রধানমন্ত্রী -Sawdeshbarta24.Com


টুঙ্গিপাড়ার পথে প্রধানমন্ত্রী -Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট:১৫আগস্ট, ২০১৫

স্টাফ রিপোর্টার- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪০তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসের শ্রদ্ধা নিবেদন করতে শনিবার গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া আসছেন। সকাল ১০টায় তিনি বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-১ স্বাক্ষরিত ফ্যাক্স বার্তায় এ তথ্য জানা হয়।  এ বার্তায় জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার সকাল ১০টায় গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাতে অংশ নেবেন। পরে বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধ মসজিদে আয়োজিত মিলাদ ও বিশেষ দোয়া মাহফিলে তিনি অংশ নেবেন।

জাতীয় শোক দিবসের এ কর্মসূচিতে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা, সামরিক-বেসামরিক পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
শোক দিবসকে সামনে রেখে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সে সৌন্দর্য বর্ধন, পরিস্কার-পরিচ্ছন্নের কাজ শেষ হয়েছে। জেলার বিভিন্ন সড়কে নির্মাণ করা হয়েছে কালো তোরণ। গোপালগঞ্জ, টুঙ্গিপাড়াসহ বিভিল্পু স্থানে উড়ছে কালো পতাকা। প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে গোপালগঞ্জ জেলার সর্বত্র নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। টুঙ্গিপাড়ায় নিরাপত্তাবলয় গড়ে তোলা হয়েছে। সেখানে র‌্যাব-পুলিশের পাশাপাশি নিরাপত্তা কর্মীরা কাজ করছেন।

গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার এসএম এমরান হোসেন জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন। এ জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

ভালো নেই সেই প্রতিবাদকারীরা-Sawdeshbarta24.Com


ভালো নেই সেই প্রতিবাদকারীরা-Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট:১৫আগস্ট, ২০১৫

2_308157স্টাফ রিপোর্টার- ৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হন। তার নিহতের সংবাদ পেয়ে বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। তিনি ১৬ আগস্ট সকালে লিফলেট ছেড়ে ছিলেন সারা দেশে। এতে তিনি উল্লেখ করেছিলেন বঙ্গবন্ধুর ৩ ছেলে ঘাতকদের হাতে নিহত হলেও তার ৪র্থ ছেলে কাদের সিদ্দিকী বেঁচে আছে। এ হত্যার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।

প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ করতে করতে সীমান্ত দিয়ে তিনি ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয় নেন। সেখানে থেকেই তিনি প্রতিরোধ কর্মসূচি চালিয়ে গেছেন। এ প্রতিরোধ কর্মসূচি চালানোর সময় তখন অনেক নেতাকর্মী জেল খেটেছেন। ভারতে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী দীর্ঘ জীবনযাপন করে ১৯৯০ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশে চলে আসেন। দেশে এসেও তিনি বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার দাবি জানান। তিনি স্ত্রী, ১ ছেলে ও ২ মেয়ে নিয়ে টাঙ্গাইল এবং ঢাকায় এই দুটি স্থানে বসবাস করছেন। তার নির্বাচনী এলাকা টাঙ্গাইলের সখীপুরে প্রায়ই তিনি আসেন। সেখানে তার নিজস্ব রাজনৈতিক দল কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে দেখা করে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন।

টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা সদরের আবদুল মালেক মিয়া বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। তিনি যুদ্ধাহত। কাদের সিদ্দিকীর প্রতিরোধের ডাকে সাড়া দিয়ে তিনিও প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। তিনি ১৯৭৫ সালেই ভারতে চলে যান। সেখান থেকে ১৯৭৯ সালে হালুয়াঘাট হয়ে দেশে চলে আসেন। দেশে আসার পরই সেনাবাহিনী তাকে আটক করে। তাকে নির্মমভাবে নির্যাতন করে ৮টি দাঁত ভেঙে দেয়। তখন থেকেই তার হার্টের সমস্যা দেখা দেয়। এখনও তিনি অসুস্থ। তার আর্থিক অবস্থা ভালো নেই। তবে তিনি বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার হওয়ায় খুশি।

আন্ডারওয়ার্ল্ড নিয়ন্ত্রণ করতেই ৩ খুন-Sawdeshbarta24.Com


আন্ডারওয়ার্ল্ড নিয়ন্ত্রণ করতেই ৩ খুন-Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট:১৫আগস্ট, ২০১৫

underwor.jpg002স্টাফ রিপোর্টার- মধ্য বাড্ডার আদর্শনগরে সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহত মাহবুবুর রহমান গামা (৪২) স্বেচ্ছাসেবক লীগের (উত্তর) সহ-সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ছিলেন। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার রাতের ওই ঘটনায় তিনজন মারা গেলেন। এর আগে শুক্রবার রাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান ঢাকা মহানগর উত্তরের ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সামসুদ্দীন মোল্লা (৪২) এবং আওয়ামী লীগ কর্মী ও স্থানীয় একটি হাসপাতালের ম্যানেজার ফিরোজ আহমেদ মানিক (৪০)। একই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বাড্ডা ইউনিয়ন যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবদুস সালাম।

স্থানীয় সূত্র জানায়, চাঁদাবাজি, আধিপত্য ও ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করেই এ ট্রিপল মার্ডারের ঘটনা ঘটেছে। এক সময়ে ওই এলাকার অপরাধ জগতের নিয়ন্ত্রণ ছিল শীর্ষ সন্ত্রাসী ও যুবলীগ নেতা বাউল সুমনের হাতে। সম্প্রতি তার মৃত্যুর পর আধিপত্য বিস্তার নিয়ে তার অনুসারীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। এ দ্বন্দ্ব আরও উসকে দেন একজন নারী। ওই নারী নেপথ্যে থেকে বাউল সুমনের অপরাধ জগত নিয়ন্ত্রণ করতে চেয়েছিলেন।

কিন্তু বাউল সুমনের মৃত্যুর পর তার এক সময়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মাহবুবুর রহমান গামা ঝুট ব্যবসাসহ অপরাধ জগতের নিয়ন্ত্রণ নিতে মরিয়া হয়ে ওঠেন। এতে ক্ষিপ্ত হন বাউল সুমনের অনুসারী উজ্জ্বল, জাহাঙ্গীর ও জুয়েল। ঘটনার রাতে নিজেদের মধ্যে এ বিষয়টি মিটমাট করতেই বৈঠক ডাকা হয়। এর সঙ্গে যোগ হয় জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানের আয়োজন নিয়ে আলোচনা। এরই একপর্যায়ে ঘাতকরা খুব কাছ থেকে মাহবুবুর রহমান গামা ও সামসুদ্দিন মোল্লাকে টার্গেট করে গুলি করে। তবে যুবলীগ কর্মী ও বাড্ডা এইচএএফ জেনারেল হাসপাতালের ম্যানেজার ফিরোজ আহমেদ মানিক টার্গেট ছিলেন না। তিনি ঘটনার শিকার।

নজরদারির বাহিরে জঙ্গিরা-Sawdeshbarta24.Com


নজরদারির বাহিরে জঙ্গিরা-Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট:১৫আগস্ট, ২০১৫

jong002স্টাফ রিপোর্টার- জেএমবির প্রধান মাওলানা সাঈদুর রহমান কারাবন্দি রয়েছে। তার অবর্তমানে এক অংশের নেতৃত্ব দিয়েছে নাহিদ। আরেক অংশের নেতৃত্ব দিয়েছে আবু তালহা মোহাম্মদ ফাহিম ওরফে পাখি। তালহা সাঈদুর রহমানের ছোট ছেলে। গত ২৭ জুলাই গভীর রাতে রাজধানীর উত্তরায় অভিযান চালিয়ে তালহাসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। গোয়েন্দারা বলছে, কারাবন্দি সাঈদুর রহমান ও আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের (এবিটি) প্রধান জসিম উদ্দিন রাহমানীকে ছিনিয়ে নেওয়ার ‘পরিকল্পনা’ চলছিল তালহার নেতৃত্বে। অথচ ২০১২ সালের ৮ জানুয়ারি এক সহযোগীসহ তালহাকে রাজশাহী থেকে গ্রেপ্তার করেছিল র‌্যাবের গোয়েন্দা বিভাগ। কিন্তু এরপর সে কবে, কিভাবে আবার ছাড়া পেয়েছিল, তা জানা নেই সংশ্লিষ্টদের। সূত্র বলছে, এই ‘তালহা’ গত বছরের ২ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গের খাগড়াগড়ের বিস্ফোরণকাণ্ডের অন্যতম মূল অভিযুক্ত তালহা শেখ কি না, তা জানতে চাইছে ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ)। ওই ঘটনায় গ্রেপ্তার জেএমবি সদস্য নুরুল হক ওরফে নইমকে তালহার ছবি দেখিয়ে এ ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টাও চলছে। নইম পশ্চিমবঙ্গের কারাগারে আটক রয়েছে।

গত ৯ মাসে পুলিশ ও র‌্যাবের অভিযানে জেএমবি, আনসারুল্লাহ বাংলা টিম, হরকাতুল জিহাদ (হুজি), হিযবুত তাহ্‌রীরসহ (এইচটি) বিভিন্ন সংগঠনের এমন শতাধিক দুর্ধর্ষ জঙ্গি গ্রেপ্তার হয়েছে, যাদের জামিনে মুক্তি ও গোপন তৎপরতার ব্যাপারে আগাম তথ্য ছিল না বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

কোথায় এএসআই সিদ্দিক?-Sawdeshbarta24.Com


কোথায় এএসআই সিদ্দিক?-Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট:১৫আগস্ট, ২০১৫

12স্টাফ রিপোর্টার- বঙ্গবন্ধুর বাড়ির রক্ষীরা যখন বিউগল বাজিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন শুরু করেন, ঠিক তখনই বাড়িটি লক্ষ্য করে মুহুর্মুহু গুলি ছুড়তে শুরু করে ঘাতকের দল। প্রচণ্ড শব্দে কেঁপে ওঠে চারদিক। তবুও পিছু হটেননি রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন অকুতোভয় সৈনিক। তাঁরা প্রধান ফটকে অবস্থান নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনায় শেষ পর্যন্ত লড়ে প্রাণ দিয়েছেন তাঁদের মধ্যে দুই বীর, যাঁদের একজন পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) এএসআই সিদ্দিকুর রহমান। যদিও ইতিহাসে সেভাবে ঠাঁই মেলেনি এই সাহসী বীরের। কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি তাঁর একটি ছবিও। মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিলেও মেলেনি মুক্তিযোদ্ধার সনদ।

যদিও শহীদ হওয়ার ২৩ বছর পর ১৯৯৮ সালে সরকার সিদ্দিকুর রহমানের সন্তানদের হাতে দুই লাখ টাকা তুলে দিয়েছিল। আর ৩৭ বছর পর ২০১২ সালে পুলিশ বাহিনী তাদের এই কৃতী সদস্যকে সাহসিকতার জন্য মরণোত্তর পুলিশ পদক প্রদান করেছে। সহায়তা, স্বীকৃতি বলতে এটুকুই।

মৃত্যুর আগে স্ত্রী ফিরোজা বেগম ও দুই সন্তানের জন্য কিছুই রেখে যেতে পারেননি এএসআই সিদ্দিক। তাই কিছু না বোঝার বয়সেই বাবাকে হারিয়ে কঠিন জীবনযুদ্ধে নামতে হয় তাঁর দুই ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান ও মাহফুজুর রহমানকে। স্বামীর মৃত্যুর ১৭ বছর পর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান ফিরোজা বেগম।

এখন এএসআই সিদ্দিকের পরিবারের খোঁজ রাখে না কেউ। এই আক্ষেপ বুকে চেপে দিন পার করছেন মোস্তাফিজ ও মাহফুজ। তবে জীবনের ঘানি টেনে ক্লান্ত হলেও বাবার সাহসিকতায় গর্বে উজ্জ্বল হয়ে ওঠে তাঁদের মুখ। এখন তাঁদের একটাই চাওয়া, জীবনে একবার হলেও দাঁড়াতে চান বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার সামনে। নিজেদের কষ্ট তাঁর সঙ্গেই ভাগ করে নিতে চান মোস্তাফিজ, মাহফুজ।

আজ শোকাবহ ১৫ আগস্ট-Sawdeshbarta24.Com


আজ শোকাবহ ১৫ আগস্ট-Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট:১৫আগস্ট, ২০১৫

bbস্টাফ রিপোর্টার- ১৫ আগস্ট, বাঙালির শোকের দিন। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪০তম শাহাদাতবার্ষিকী। জাতির ইতিহাসে এক কলঙ্কিত দিন আজ। ১৯৭৫ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে চক্রান্তকারী একদল সেনা সদস্য। পেছনে ছিল জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র। আজ জাতীয় শোক দিবস।

চক্রান্তকারী সেনা সদস্যরা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর সড়কে ঐতিহাসিক বাড়িটিতে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সেদিন নৃশংসভাবে হত্যা করেছিল তঁার সহধর্মিণী বেগম শেখ ফজিলাতুননেসা মুজিব, তিন ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল ও ১০ বছরের শিশু শেখ রাসেল, দুই পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামালকে। তবে প্রবাসে থাকায় সেদিন প্রাণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর দুই মেয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। সেই কাল রাতে আরো প্রাণ হারান বঙ্গবন্ধুর কয়েকজন নিকটাত্মীয়। বঙ্গবন্ধুর জীবন বাঁচাতে ছুটে গিয়ে ঘাতকদের হাতে প্রাণ দিয়েছিলেন জামিল উদ্দিন আহমেদসহ কয়েকজন নিরাপত্তা কমকর্তা ও কর্মচারী। জাতি আজ গভীর শোক ও শ্রদ্ধায় স্মরণ করবে সেই শহীদদের।

বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যা করার পর স্বাধীনতাবিরোধীরা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় পুনর্বাসিত হতে থাকে। তারা এ দেশের ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলতে নানা উদ্যোগ নেয়। শাসকদের রোষানলে বঙ্গবন্ধুর নাম উচ্চারণও যেন নিষদ্ধি হয়ে পড়ে। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার ঠেকাতে কুখ্যাত ‘ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ’ জারি করেছিল মোশতাক সরকার। ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসীন হলে ‘ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ’ বাতিল করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের পথ উন্মুক্ত করা হয়। বিচার শুরু হয় ১৯৯৮ সালের ৮ নভেম্বর। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাঙালি জাতির ললাটে যে কলঙ্কতিলক পরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, ৩৫ বছরেরও বেশি সময় পর ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি সেই কলঙ্ক থেকে জাতির দায়মুক্তি ঘটে। বঙ্গবন্ধু হত্যার চূড়ান্ত বিচারের রায় কার্যকর করা হয়। ওই দিন মধ্যরাতের পর পাঁচ খুনির ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। তবে বিভিন্ন দেশে পলাতক থাকায় আরো ছয় খুনির সাজা এখনো কার্যকর করা যায়নি।

জেনে নিন-মদ্যপ চালকের দেশভেদে শাস্তি -Sawdeshbarta24.Com


মদ্যপ চালকের দেশভেদে শাস্তি -Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট:১৪আগস্ট, ২০১৫

220483-1.02drinkndriveস্টাফ রিপোর্টার- মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে ঘটছে নানা দুর্ঘটনা। এতে করে অন্যরা যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, তেমনই কখনো কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মদ্যপ-চালকও। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশের অর্থনীতি ও পরিবেশ। তাই দেশে দেশে মদ্যপ-চালকদের শাস্তির বিধান রয়েছে।তবে দেশভেদে তা ভিন্নতর ও বৈচিত্র্যময়ও বটে। এমনকি কোনো কোনো দেশে এই অপরাধের চূড়ান্ত শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।

আসুন আমরা জেনে নিই মদ্যপ-চালকের দেশভেদে শাস্তির ভিন্নতা—

সুইডেন : সুইডেনে কেউ মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালাতে গিয়ে ধরা পড়লে এক বছরের জেল হয়।

নরওয়ে : শান্তির দেশ নরওয়েতে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অপরাধের সাজা হল তিন সপ্তাহের সশ্রম কারাদণ্ড ও এক বছরের জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স হারানো। আর পরবর্তী পাঁচ বছরের মধ্যে কেউ এই অপরাধের পুনরাবৃত্তি করলে সারাজীবনের জন্য তার লাইসেন্স বাতিল।

যুক্তরাষ্ট্র : যুক্তরাষ্ট্রের ৪২টি অঙ্গরাজ্যে, ডিস্ট্রিক অফ কলাম্বিয়া, উত্তর মেরিনা দ্বীপ ও ভার্জিনিয়া দ্বীপে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালালে ড্রাইভিং লাইসেন্স নির্ধারিত একটি সময়ের জন্য বাজেয়াপ্ত করা হয়— যদি চালক কেমিক্যাল টেস্ট উৎরাতে না পারেন।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অপরাধের সাজা হল ৯০ দিনের জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল, ২ দিন থেকে ৬ মাস পর্যন্ত জেল ও ১০০০ ডলার জরিমানা করা হয়ে থাকে।

আর কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে যদি একই অপরাধ চতুর্থবারের মতো প্রমাণিত হয় তাহলে তার সাজা হচ্ছে ২ বছরের জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল, সর্বনিম্ন ৭৫ দিন থেকে সর্বোচ্চ ৩০ বছর পর্যন্ত জেল ও ৫০০০ ডলার জরিমানা।

যুক্তরাজ্য : যুক্তরাজ্যে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অপরাধের শাস্তি এক বছরের জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স স্থগিত, এক বছরের জেল ও ২৫০ ডলার সমমূল্যের জরিমানা।

ফিনল্যান্ড : ফিনল্যান্ড কেউ মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালাতে গিয়ে ধরা পড়লে এক বছরের জেল খাটার সাজা দেওয়া হয়।

পোল্যান্ড : পোল্যান্ডে জেল, জরিমানা তো আছেই, সাথে উটকো ঝামেলার মতো রয়েছে জোরপূর্বক রাজনৈতিক বক্তব্যে অংশগ্রহণ।

ফ্রান্স : এই অপরাধে ফ্রান্সে তিন বছরের জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স হারাতে হয়। এক বছরের জেল খাটতে হয় এবং এক হাজার ডলার জরিমানা গুনতে হয়।

জাপান : মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অপরাধের ক্ষেত্রে এশিয়া উন্নত দেশ জাপান তার নাগরিকদের শাস্তির ব্যাপারে যথেষ্ট কঠোর। মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালাতে গিয়ে কোনো দুর্ঘটনা ঘটে, আর চালক যদি দুর্ঘটনা স্থল থেকে পালিয়ে যায়, সেক্ষেত্রে তার ড্রাইভিং লাইসেন্স ১০ বছরের জন্য কেড়ে নেওয়া হয়। দেশটি শুধু চালককে শাস্তি দেয় না, পাশাপাশি ওই গাড়ির আরোহীদেরও সাজা ভোগ করতে হয়। আরোহীদের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্কদের ৩ হাজার ডলার সমমূল্যের জরিমানা গুনতে হয়। আর চালককে ১ বছরের জেল খাটতে হয় অথবা নিদেনপক্ষে আট হাজার ৭০০ ডলার সমমূল্যের জরিমানা গুনতে হয়। আর মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর কারণে সড়ক দুর্ঘটনায় যদি এক বা একাধিক পথচারীর প্রাণহানী ঘটে সেক্ষেত্রে চালক সারাজীবনের জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স হারাতে পারেন।

দক্ষিণ আফ্রিকা : দক্ষিণ আফ্রিকাতে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অপরাধে সাজা হয় ১০ বছরের জেল এবং ১০ হাজার ডলার জরিমানা।

বুলগেরিয়া : বুলগেরিয়াতে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর চূড়ান্ত শাস্তি হিসেবে রয়েছে মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত।

এল সালভাদর : এল সালভাদরে আপনার প্রথম অপরাধই শেষ অপরাধ। কারণ মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালাতে গিয়ে ধরা পড়লে সরাসরি ফায়ারিং স্কোয়াডের সামনে রেখে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

তুরস্ক : তুরস্কে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালালে চালক সমেত গাড়িটি শহর থেকে বিশ কিলোমিটার দূরে টেনে নিয়ে যাওয়া হয় এবং চালককে আবার পুলিশ প্রহরার মধ্য দিয়ে দশ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে ফিরে আসতে হয়।

রাশিয়া : রাশিয়াতে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অপরাধে সারাজীবনের জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স হারাতে হয়।

কোস্টারিকা : উত্তর আমেরিকার দেশ কোস্টারিকায় মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালাতে গিয়ে ধরা পড়লে পুলিশ তৎক্ষণাৎ সংশ্লিষ্ট গাড়ির নাম্বার প্লেট খুলে ফেলে।

অস্ট্রেলিয়া : অস্ট্রেলিয়ায় মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালাতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়লে সেই ব্যক্তির নাম ও ছবি ক্যাপশন সহকারে পত্রিকাতে প্রকাশ করা হয়। আর ক্যাপশনে উল্লেখ থাকে ‘এই ব্যক্তি মদ্যপ ও সে এখন জেলে’।

মালয়েশিয়া : মালয়েশিয়াতে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালালে ব্যক্তির তো জেল হবেই। মজার বিষয় হচ্ছে, চালক যদি বিবাহিত হয়, এক্ষেত্রে তার স্ত্রীকেও জেল খাটতে হয় বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশ : বাংলাদেশে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালালে প্রথমবার শাস্তি সর্বোচ্চ ৩ মাস জেল ও ১ হাজার টাকা জরিমানা— এই দু’টির যেকোনো একটি বা দু’টিই হতে পারে। এবং পরিবর্তীকালে যদি একই অপরাধ করে তবে তার সর্বোচ্চ ২ বছরের জেল ও ১ হাজার টাকা জরিমানা এবং সাময়িকভাবে ড্রাইভিং-লাইসেন্স স্থগিত করা হয়।

সকল মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা ২ অক্টোবর -Sawdeshbarta24.Com


সকল মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা ২ অক্টোবর -Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট:১৪আগস্ট, ২০১৫

sawdeshbarta24.doctorস্টাফ রিপোর্টার- দেশের সকল মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২ অক্টোবর।স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে বৃহস্পতিবার ২০১৫-২০১৬ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস/বিডিএসের প্রথমবর্ষে ভর্তি নিয়ে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এতে সভাপতিত্ব করেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।ভর্তির অন্যান্য বিষয় এক সপ্তাহের মধ্যে চূড়ান্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন ও চিকিৎসা শিক্ষা) আইয়ুবুর রহমান খান।

ঢাকা টোব্যাকোর ১০ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকি -Sawdeshbarta24.Com


ঢাকা টোব্যাকোর ১০ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকি -Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট:১৪আগস্ট, ২০১৫

012স্টাফ রিপোর্টার- আকিজ গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ঢাকা টোব্যাকো ইন্ডাস্ট্রিজ ১০ কোটি টাকা ভ্যাট (মূল্য সংযোজন কর) ফাঁকি দিয়েছে। একাধিকবার ভ্যাট পরিশোধের তাগাদা দিলেও তা আমলে না নিয়ে সময়ক্ষেপণ করায় বৃহৎ করদাতা ইউনিট ভ্যাট পৃথক দু’টি চূড়ান্ত দাবিনামা জারি করেছে।

চাষিদের কাছ থেকে তামাক পাতা কেনার বিপরীতে নিয়মমাফিক উৎসে ভ্যাট আদায় না করায় এ দাবির সৃষ্টি হয়েছে।

২০১৩ সালের জুলাই থেকে ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৬ কোটি ৪৬ লাখ টাকা এবং ২০১৪ সালের মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত ৩ কোটি ৭১ লাখ টাকার পৃথক দু’টি চূড়ান্ত দাবিনামা জারি করেছে এলটিইউ ভ্যাট।দাবিনামা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২০১৩ সালের জুলাই থেকে ২০১৪ সালের জুন পর্যন্ত সিগারেট উৎপাদনের কাঁচামাল তামাক পাতা চাষিদের কাছ থেকে কিনলেও এর বিপরীতে ১০ কোটি ১৭ লাখ টাকা উৎসে মূসক আদায় করেনি

নিয়ল হত্যা-প্রতিমন্ত্রীর ভাতিজাসহ গ্রেফতার ২-Sawdeshbarta24.Com


নিয়ল হত্যা-প্রতিমন্ত্রীর ভাতিজাসহ গ্রেফতার ২-Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট:১৪আগস্ট, ২০১৫

nahianস্টাফ রিপোর্টার-ব্লগার নিলয় নীল হত্যার ঘটনায় শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নুর ভাতিজা সাদ আল নাহিয়ানসহ দুই জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রাজধানীর পৃথক স্থান থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাদের গ্রেফতার করা হয়।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মুনতাসিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার এ দু’জনের মধ্যে সাদ আল নাহিয়ান ব্লগার আসিফ মহিউদ্দিনকে হত্যা চেষ্টা মামলার অন্যতম আসামি।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নাহিয়ানকে উত্তরা থেকে ও মাসুদ রানা নামে আরেকজনকে মিরপুরের কালশী থেকে গ্রেফতার করা হয়।

রক্তের গ্রুপ অনুযায়ী সঠিক খাবারটি খাচ্ছেন তো?Sawdeshbarta24.Com


রক্তের গ্রুপ অনুযায়ী সঠিক খাবারটি খাচ্ছেন তো?Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট:১৪আগস্ট, ২০১৫

f0004স্টাফ রিপোর্টার- রক্তের ধরণ অনুযায়ী খাবার তালিকার উদ্ভাবক হচ্ছে ন্যাচারোপ্যাথ Peter J D’Adamo। তিনি বলেছেন যে রক্তের ধরনের (A, AB, B এবং O) উপর নির্ভর করে যে খাদ্যতালিকা উদ্ভব তিনি করেছেন তা অনুসরণ করলে ওজন কমবে এবং সুস্থ থাকা যাবে। ন্যাচারোপ্যাথির সাথে আমরা অনেকেই পরিচিত নই। এটি হচ্ছে এমন একটি প্রাকৃতিক চিকিৎসা বিদ্যা যা হোমিওপ্যাথি, ভেষজবিদ্যা, আকুপাংচার এবং সেই সাথে পুষ্টি ও জীবনযাত্রার মান সব কিছু মিলিয়ে কোন কিছুর সমাধান দেয়া হয়।রক্তের ধরণ নির্ভর করে খাবারের উপর সেই উদ্ভাবক অনেক গবেষণা ও লিখিত কাজ করেছেন। ১৯৯৬ সালে উনার সেই কাজ ‘Eat Right4 Your Type’ প্রকাশিত হয় এবং বেশ সাড়া জাগায়। D’Adamo দাবি করেন যে আমরা যে ধরনের খাবার খাই তা আমাদের রক্তের ধরনের সাথে রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া ঘটায়। তাই যদি আমরা আমাদের রক্তের ধরন অনুসরণ করে যদি খাবার খাই তাহলে তা আমাদের শরীর আরো বেশি দক্ষতার সাথে হজম করবে। ফলাফল স্বরূপ ওজন কমবে, দেহের শক্তি বাড়াতে সাহায্য করবে এবং রোগ প্রতিরোধ করবে।

প্রতিটি রক্তের ধরন অনুযায়ী যা খাওয়া যাবেblood

রক্তের ধরনের উপর নির্ভর করবে কি কি ধরনের খাবার খাওয়া যাবে তাই ন্যাচারোপ্যাথ D’Adamo এখানে প্রতিটি ধরনের জন্য কিছু খাবার সুপারিশ করেছেন।

টাইপ A গ্রুপের রক্তের মানুষের খাবার তালিকা

টাইপ A গ্রুপের রক্তের মানুষেরা সাধারণত নিরামিষ জাতীয় খাবারে সতেজ বেশি থাকবে। যদি তারা মাংস খায় তবে তারা ওজন হারাবে। আরো বেশি শক্তি পেতে হলে খাবার তালিকা থেকে টক্সিক জাতীয় খাবার বাদ দিতে হবে। অনেকেই ভাবেন যে খাবার তালিকা থেকে মাংস বাদ দিলে হয়তো শক্তি পাবে না। কিন্তু মাংস বাদ দিয়ে যদি সয়া প্রোটিন, শস্য জাতীয় খাবার এবং সবজি খান তাহলে তারা আরো সতেজ থাকবেন। তবে এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে টাইপ A গ্রুপের রক্তের মানুষেরা খুব সংবেদনশীল তাই তাদের খাবার তালিকা যতদূর সম্ভব খাঁটি, তাজা, এবং প্রাকৃতিক ও অর্গানিক খাবারে ভরপুর থাকতে হবে।ন্যাচারোপ্যাথ D’Adamo, টাইপ A গ্রুপের রক্তের মানুষদের সংবেদনশীল প্রতিরোধক ক্ষমতা যে খাদ্য তালিকাগত সমন্বয়ের উপর নির্ভর করে তার উপর বেশ গুরুত্ব আরোপ করেছেন। কারন এই ধরনের খাবারের মাধ্যমে প্রতিরোধক ক্ষমতা সুপার চার্জ হয় এবং বিভিন্ন প্রাণঘাতী রোগের হাত থেকে রক্ষা পায়। টাইপ A গ্রুপের রক্তের মানুষদের জন্য খাদ্যশস্য, ফল ও সবজির মাঝে বিভিন্ন ধরনের শিম ও ডালবীজ জাতীয় খাবার হচ্ছে সবচেয়ে উত্তম খাবার। মাংস ছাড়া সামান্য দুগ্ধ জাতীয় খাবার রাখা যায়।

টাইপ A গ্রুপের রক্তের মানুষদের জন্য নিম্নে উল্লেখিত খাবার গুলো খুবই উপকারী
কাঠ বাদামের দুধ, আপেল, মুলা শাক, অ্যাস্পারাগাস, বিট, কালো শিম বীজ, ব্লুবেরি, ব্রকলি, সেলারি, চেরি, খেজুর, চাইনিজ বাধাকপি, ব্রাউন ব্রেড, মৌরি, রসুন, দই, গ্রিক দই, পেয়ারা, পাতাকপি, লেটুস, মাশরুম, তফু, সয়া মিল্ক, অটস, রাসবেরি, থানকুনি শাক, রাই, তরমুজ ইত্যাদি।

টাইপ B গ্রুপের রক্তের মানুষের খাবার তালিকা-এই ধরনের রক্তের মানুষের খাবার তালিকায় রক্তের শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি করে এমন খাবার যেমন ভুট্টা, গম, ডাল, টমেটো, চিনা বাদাম, তিলবীজ, মুরগি ইত্যাদি খাবার গুলো বর্জনের কথা বলা হয়েছে। কারন এসব খাবার খাওয়ার পর রক্তের শর্করা খুব কমে যায় যার ফলে তা বিপাক ক্রিয়াতে বাধা প্রদান করে, অলসতা বাড়ায়, শরীরে পানি ধরে রাখে এবং হাইপোগ্লাইসেমিয়ার সৃষ্টি করে। তাই যখন এই ধরনের খাবার বাদ দিয়ে সঠিক খাবার গ্রহন করা শুরু করবে তখন রক্তের শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক হয়ে আসবে। ন্যাচারোপ্যাথ D’Adamo সবুজ শাক সবজি, ডিম, কিছু মাংস এবং লো-ফ্যাট দুধ খেতে পরামর্শ দিয়েছেন। যদিও মুরগি একটি চর্বি বিহীন নিরাপদ মাংস তবুও B গ্রুপের রক্তের মানুষদের এটি বর্জন করা উচিত কারন এই ধরনের মানুষের পেশী কোষে থাকে agglutinating lectin নামক একটি উপাদান। যা রক্তস্রোতে আক্রমন করে স্ট্রোকের সম্ভাবনা থাকে এবং প্রতিরোধক ক্ষমতাকে ব্যাহত করতে পারে। তাই ন্যাচারোপ্যাথ D’Adamo মুরগির পরিবর্তে অন্য মাংস যেমন গরু, ছাগল, ভেড়া ইত্যাদির মাংস খেতে বলেছেন। সে কারনে সবুজ শাকসবজি, ডিম, উপকারী মাংস, এবং কম চর্বিযুক্ত দুধ খেতে হবে। বিষাক্ত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।

টাইপ B গ্রুপের রক্তের মানুষদের জন্য গ্রহণযোগ্য ও উপকারী কিছু খাবার
অ্যাপ্রিকট, গরুর মাংস, খাসির মাংস, ভেড়ার মাংস, মাছ,টার্কি, ডিম, গ্রিক দই, বকচয় শাক, লাল চাল, অটস, বাটার, বাধাকপি, সেলারি, লেটুস, পনির, নারিকেলের দুধ, ক্র্যানবেরি, বেগুন, লাল আলু, মাশরুম, মরিচ, মৌরি, আঙ্গুর, আম, তরমুজ, আনারস, স্ট্রবেরি ইত্যাদি।food

টাইপ AB গ্রুপের রক্তের মানুষের খাবার তালিকা-সাধারণত AB গ্রুপের মানুষ A ও B গ্রুপের মানুষের মিশ্র জিনের উত্তরাধিকারী বৈশিষ্ট্য প্রতিফলিত করে। দুই ধরনের রক্তের গ্রুপের বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান থাকে বিশেষ করে A গ্রুপের মাংস না খেতে পারা এবং B গ্রুপের রক্তের শর্করা কমে যাবার প্রবণতা।তবে AB গ্রুপের মানুষদের খাবারের ব্যাপারে নিজস্ব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার ক্ষমতা রয়েছে। তাদের খাবারে তালিকায় টফু, সামুদ্রিক মাছ এবং খাবার, দুগ্ধ জাতীয় খাবার এবং সবুজ শাকসবজি থাকতে পারে। তবে তাদের পাকস্থলীতে কিছু প্রয়োজনীয় এসিড কম থাকতে পারে আবার তাদের B গ্রুপের মানুষদের মত খাপ খাওয়ানোর মতো ক্ষমতাও থাকে। এই গ্রুপের মানুষদের পাকস্থলীতে কিছু প্রয়োজনীয় এসিড কম থাকাতে মাংস বিপাকের ক্ষেত্রে এদের সংরক্ষণ করে রাখার প্রবণতা থাকে বেশি থাকে। কারন AB গ্রুপের মানুষদের মাঝে A ও B উভয় গ্রুপের এন্টিজেন বিদ্যমান থাকে।

টাইপ AB গ্রুপের রক্তের মানুষদের জন্য নিম্নে উল্লেখিত খাবার গুলো খুবই উপকারী
আগার, আপেল, বাঁশ দিয়ে তৈরি খাবার, ব্লুবেরি, ব্রাসেলস স্প্রাউট, গাজর, ক্র্যানবেরি, শশা, ডিম, ডুমুর, আদা, গ্লুটেন ফ্রি ব্রেড, কিউয়ি, পেঁয়াজ, ঢেঁড়স, জলপাই, পেঁপে, পিচফল, টমেটো, তরমুজ, ধুন্দল ইত্যাদি।

টাইপ O গ্রুপের রক্তের মানুষের খাবার তালিকা-রক্তের এই গ্রুপকে সবচেয়ে পুরোনো হিসেবে ধরা হয়। প্রাচীনকালে এই গ্রুপের মানুষেরা ছিল শিকারি ও মাংসাশী। সেই হিসেবে O গ্রুপের রক্তের মানুষের খাবার তালিকায় উচ্চ প্রোটিনযুক্ত যেমন লাল মাংস, মাছ এবং পোল্ট্রি খাবার রয়েছে। এসব প্রোটিন খাবারের সাথে প্রচুর পরিমানে তাজা শাকসবজি এবং ফল রাখতে হবে। তবে বর্জনীয় খাবার গুলো হচ্ছে শস্য, ব্রেড ও ডাল জাতীয় খাবার। এছাড়া ন্যাচারোপ্যাথ D’Adamo এই গ্রুপের মানুষদের বিভিন্ন ধরনের সাপ্লিমেন্ট খেতে সুপারিশ করেছেন তাদের পেটের সমস্যা ও অন্যান্য সমস্যায় সাহায্য পেতে।

O গ্রুপের রক্তের মানুষের জন্য কিছু গ্রহনীয় উত্তম খাবারের নাম -কাঠবাদামের দুধ, আপেল, অ্যাস্পারাগাস, কলা, গরুর মাংস, মুরগি, হাঁসের মাংস, মাছ, কলিজা, গলদা চিংড়ী, চিংক, টার্কি, হরিণের মাংস, স্যামন, তেলাপিয়া, টুনা মাছ, কাঁকড়া, কালো, শিমবীজ, চেরি, খেজুর, পনির, ডুমুর, কুমড়া, টমেটো, পেয়াজ, রসুন, আদা, লেবু, মূলা, কিউয়িশ, তরমুজ, বড়ই, লেটুস, মালবেরি ফল, সয়াদুধ, কিশমিশ, মিষ্টি আলু ইত্যাদি।

দেশ ছাড়তে শুরু করেছেন ব্লগাররা -Sawdeshbarta24.Com


দেশ ছাড়তে শুরু করেছেন ব্লগাররা -Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট:১৪আগস্ট, ২০১৫

20534012371_b5d392363a_b স্টাফ রিপোর্টার- একের পর এক হত্যাকাণ্ডে দেশ ছাড়ছেন ব্লগাররা। গত কয়েক মাসে অন্তত পাঁচজন ব্লগার দেশ ছেড়েছেন। আরও অন্তত ১০ থেকে ১২ জন ব্লগার দেশ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও একাধিক গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে।

গোয়েন্দা তথ্য অনুসারে, ‘নবি মোহাম্মদের ২৩ বছর’ শিরোনামে এক বই প্রকাশিত হওয়ার পর তোপের মুখে পড়েন সৈকত চৌধুরী। প্রাণনাশের হুমকি ও তোপের মুখে গত মে মাসে দেশ ছেড়েছেন এই অনলাইন এ্যাক্টিভিস্ট। আশ্রয় নিয়েছেন ইউরোপের একটি দেশে।

অভিজিৎ ও অনন্ত বিজয় দাশ হত্যাকাণ্ডের পর হুমকির মুখে প্রাণ বাঁচাতে ২৯ জুলাই জার্মানীতে চলে যান হুমায়ুন আজাদপুত্র অনন্য আজাদ। সৈকত চৌধুরী ও অনন্য আজাদের পথ ধরে গত তিন মাসে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন আরও তিনজন ব্লগার ও অনলাইন এ্যাক্টিভিস্ট। অন্যদের মধ্যে অনলাইন এ্যাক্টিভিস্ট সুব্রত শুভ ও ক্যামেলিয়া কামাল (ফড়িং ক্যামেলিয়া) সুইডেনে এবং রতন (সন্ন্যাসী) নরওয়েতে আশ্রয় নিয়েছেন।

গোয়েন্দা সূত্র জানায়, সম্প্রতি সময়ে ব্লগার হত্যার ঘটনাসহ বিভিন্ন কারণে বেশ কয়েকজন দেশ ছাড়ারও প্রস্তুতি নিয়েছেন। অন্তত ১০ থেকে ১২ জন এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরি করছেন। তারা দেশের ভেতরে অবস্থান নিরাপদ মনে করছেন না।

বিদেশে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এমন একজন ব্লগার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘নাস্তিকতার দোহাই দিয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে ঘরে ঢুকে হত্যা করা হচ্ছে। রাস্তায় কুপিয়ে হত্যা করা হচ্ছে। নিরাপত্তা চেয়ে জিডি করেও কোনো সমাধান পাওয়া যায় না। বাইরে বের হলেই ফলো করা হচ্ছে, ফোন করে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এমনকি অফিসে যাওয়ার জন্যও নিশ্চিন্তে বের হতে পারছি না। দেশে থেকেও কার্যত বন্দী জীবন কাটাচ্ছি। তাই বাধ্য হয়েই বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

বিশেষ প্রতিবেদন-নিলয়ের স্ত্রী আশামনিকে নিয়ে নতুন ধুম্রজাল-Sawdeshbarta24.Com


নিলয়ের স্ত্রী আশামনিকে নিয়ে নতুন ধুম্রজাল-Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট:১৪আগস্ট, ২০১৫

niloy1 স্টাফ রিপোর্টার- নিলয় হত্যা মামলায় নিলয়ের কথিত স্ত্রী আশামনির ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে নিলয়ের পরিবার ও নিকট আত্মীয়রা।
এমনকি গোয়েন্দাদের চোখেও সন্দেহের উর্ধ্বে নয় ব্লগার নিলয়ের কথিত স্ত্রী এবং শ্যালিকা । গোয়েন্দা সূত্রের খবর , নিলয়ের কথিত স্ত্রী আশামণি, শ্যালিকা তন্নীকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে গোয়েন্দা পুলিশ। এর মধ্যে বন্ধু মিঠুকে প্রধান ক্লু হিসেবে বিবেচনা করছেন তারা। ইতোমধ্যে তাদের ফোনকল ও সংগ্রহের জন্য তিনটি মোবাইল কোম্পানির সঙ্গে কথা বলেছেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।

নিলয়ের আত্মীয়য়-স্বজনরা ইতোমধ্যে দাবি করেছেন, ঢাকায় নিলয়ের সঙ্গে যে মেয়েটি (আশামণি) নিলয়ের স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দিচ্ছে সে তার স্ত্রী নয়। ওই মেয়েটিকে তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে তারা বলেন, পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে তার মুখ থেকেই হত্যার মূল রহস্য বেরিয়ে আসবে।

এদিকে অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে আশামনির উৎশৃঙ্খল জীবনের নানা হালচাল। গনজাগরণ মঞ্চের সক্রিয় কর্মী সাজু অনলাইনে যিনি উলঙ্গ সাজু হিসাবেই বেশি পরিচিত, কারন বিভিন্ন সময়ে ফেসবুকে নিজের উলঙ্গ ছবি আপলোড করে আলোচনায় এসেছেন এই সাজু। সেই সাজুর সাথেই ছিল আশামনি এবং নিলয়ের উভয়ের ছিল ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। বিভিন্ন ভিডিও এবং ছবিতে আশামনিদের সেই উলঙ্গ সাজুর সাথে ঘনিষ্ঠ অবস্হায় দেখা গিয়েছে। এক ঘরোয়া মদের আসরে আশামনি এবং নিলয়ের কথিত শ্যালিকা তন্বীর মাতলামির ভিডিও চিত্রে আশামনিকে দেখা যায় পুরোপুরি অপ্রকৃতিস্হ অবস্হায়। সেই মদের আসরে উলঙ্গ সাজুও উপস্হিত ছিল,সঙ্গে নিলয়ের কথিত শ্যালিকা তন্বী।

এদিকে এধরণের আড্ডার আসর নিলয়ে বাসায়ও বসত বলে গোয়েন্দা সূত্রে খবর। তাই ব্যক্তিগত ও সাংসারিক জীবন এবং বাসায় বন্ধুদের আড্ডার বিষয়টি তদন্তে জোরালোভাবে প্রাধান্য পাচ্ছে। আর এ ক্ষেত্রে ওই বাড়ির মালিক শামসুল ইসলাম গোয়েন্দাদের যেসব তথ্য দিয়েছেন তা মিলিয়ে দেখছে র‍্যাব ও পুলিশ। এজন্য নিলয় ও আশামণি ছাড়াও শ্যালিকার তন্নীর ফোনকলের সব তথ্য গভীরভাবে পর্যালোচনা করছে।

ইকোপার্কে প্রবেশে টিকিটমূল্য ৬ গুন বেশি-Sawdeshbarta24.Com


ইকোপার্কে প্রবেশে টিকিটমূল্য ৬ গুন বেশি-Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট:১৪আগস্ট, ২০১৫

ekoস্টাফ রিপোর্টার- পাহাড় এবং সমুদ্র বরাবরই আকর্ষণ করে সীতাকু- বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্কে ঘুরতে আসা দেশী ও বিদেশী সকল পর্যটকদের মন। প্রকৃতির এ নিবিড় ছোঁয়া আর বুক উজার করা সৌন্দর্য যেন মুহুর্তেই ভুলিয়ে দেয় জীবনের যাবতীয় হতাশা। শীত এলেই শুরু হয় পর্যটন মৌসুম। পাহাড়ী প্রকৃতির একান্ত সান্নিধ্য পেতে আর উচ্ছল ঝর্ণার শীতল স্পর্শ পেতে হলে চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড ইকোপার্কই হলো প্রকৃত স্থান। দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সাথে সীতাকুন্ডের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করে আসছে সীতাকুন্ড ইকোপার্ক। কিন্তু তা মাটি চাপা পড়তে বসেছে কিছু অসাধু ব্যক্তির কারনে। সীতাকুন্ড ইকোপার্কে জনপ্রতি ২০ টাকা করে টিকিটমূল্য নির্ধারন করা হয়েছে। গত কয়েক বছর ধরে ১০ টাকা জনপ্রতি থাকলেও তা পরে ১৫ টাকা থেকে ২০ টাকা করা হয়েছে। ঈদেও তার ব্যতিক্রম ছিলনা জনপ্রতি ২০ টাকা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সাথে যদি কোন মহিলা থাকে তাহলে তাদেরকে জনপ্রতি গুনতে হবে ১২০ টাকা করে। যা টিকিটমূল্যের ৬ গুন বেশি। আর নিয়মিত এ ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ায় ঘুরতে আসা পর্যটকদের পড়তে হয় বিপদের মুখে। কেউ কেউ আসছে স্কুল-কলেজ থেকে। যাদের পক্ষে সম্ভব না টিকিটের ৬গুন টাকা বেশি দিয়ে ইকোপার্কে প্রবেশ করা। সরেজমিনে অনেক পর্যটক টিকিটের দরে দামে না হওয়ায় ফিরে যেতে দেখা গেছে।
‘সাথে মেয়ে থাকলে জনপ্রতি ১২০ টাকা করে। প্রতিবেদকের প্রশ্ন ছিল ২০ টাকার টিকিট ১২০ টাকা কেন, তিনি জবাবে বললেন কেন সেটার উত্তর দিতে পারব না কারন এগুলো উপরের অর্ডার মেয়ে আসলে ১২০ টাকা করে দিতেই হবে। আর যারা দিতে পারবেনা তারা চলে যাবে।’ এসব কথা বললেন সীতাকুন্ড ইকোপার্ক গেইটে টিকিট কাউন্টারে দায়িত্বে থাকা লোকটি।
সরেজমিনে প্রতিবেদক ও সাথে এক ছেলে ও মেয়ে সহপাঠীকে নিয়ে মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় সীতাকুন্ড ইকোপার্ক গেইটে। গেইটে ঢুকতে হাতের বাম পাশে টিকিট কাউন্টার। প্রতিবেদক: ভাই ৩টি টিকেট দেন। উত্তরে: আপনাদের সাথে কোন মেয়ে আছে। প্রতিবেদক: হ্যাঁ ভাই একজন মেয়ে এবং দুজন ছেলে। উত্তরে: ৩৬০ টাকা দেন। প্রতিবেদক: কেন? জনপ্রতি তো ২০ টাকা করে ৬০ কিন্তু ৩৬০ টাকা কেন? উত্তরে: আপনাদের সাথে মেয়ে আছে তো ১২০ টাকা করে। প্রতিবেদক: মেয়ে থাকলে ১২০ টাকা কেন? উত্তরে: এমনিতে নরমাল টিকিট ২০ টাকা মেয়ে থাকলে ১২০ টাকা করে। প্রতিবেদক: বুঝলাম কিন্তু কেন? উত্তরে: কেন’র উত্তর আমি দিতে পারব না, এটা উপরের অর্ডার। মেয়ে থাকলে ১২০ টাকা করে দিতে হবে। প্রতিবেদক: যদি না দিই তাহলে চলে যেতে হবে, উত্তরে: সেটাতো আমি জানিনা আপনি যাবেন কি থাকবেন!
পরে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ভাই আপনারা ভিতরে যান আপনারা যেদিকে ইচ্ছে সেদিকে ঘুরতে পারবেন। এমনিতে নরমাল টিকিটের মূল্য ২০ টাকা যদি ইচ্ছে থাকে দেন না হলে ভিতরে চলে যান ঘুরে আসুন।
এসব কথা বলেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সীতাকুন্ড ইকোপার্ক ও বোটানিক্যাল গার্ডেন টিকিট কাউন্টারে দায়িত্বে থাকা লোকগুলো।সীতাকুন্ডে ঘুরতে আসা মো. তুষার সাংবাদিক বুঝে বললেন, ভাইয়া দেখুন আমরা সবাই ভার্সিটির ছাত্র/ছাত্রী। আমরা পরিচয় দেওয়ার পরও আমাদের কাছ থেকে ১২০ টাকা করে দাবী করছে। যেখানে টিকিটের মূল্য শুধু ২০ টাকা। পরে দরদাম করে দুইটা ১৫০ টাকা করে দিতে হয়েছে।

মাহমুদুর রহমানের ৩ বছরের জেল-Sawdeshbarta24.Com


মাহমুদুর রহমানের ৩ বছরের জেল-Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট:১৪আগস্ট, ২০১৫

images স্টাফ রিপোর্টার- বিএনপির নেতা সাকা চৌধুরীর মামলার রায় নিয়ে আগাম মন্তব্য করে কলাম প্রকাশ করায় দৈনিক জনকণ্ঠের সম্পাদক মোহাম্মদ আতিকউল্লাহ খান মাসুদ ও নির্বাহী সম্পাদক স্বদেশ রায়কে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে সাত দিনের কারাদ- দিয়েছেন আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে একদিন কোর্ট চলাকালীন এজলাসে অবস্থান করতে বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৫ মিনিটে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে ছয় সদস্যের বৃহত্তর বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
১০ হাজার টাকা করে মোট ২০ হাজার টাকা কোনো দাতব্য সংস্থাকে দিতে বলেছেন সর্বোচ্চ আদালত। রায় ঘোষণার সময় জনকন্ঠের আইনজীবী সালাউদ্দিন দোলন এবং রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম উপস্থিত ছিলেন। আদালতে বিপুল সংখ্যক আইনজীবী, দেশি-বিদেশি বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

মাহমুদুর রহমানের ৩ বছরের জেল : বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রাক্তন জ্বালানি উপদেষ্টা ও দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় তিন বছরের কারাদ- দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর বকশীবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ-৩ (অস্থায়ী এজলাস)-এর বিচারক আবু আহমেদ জমাদ্দার এ রায় দেন। এ ছাড়া তাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক মাসের বিনাশ্রম কারাদ- প্রদান করেছেন আদালত।

দুই দলের হাত থেকে জাতি মুক্তি চায় : এরশাদ-Sawdeshbarta24.Com


দুই দলের হাত থেকে জাতি মুক্তি চায় : এরশাদ-Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট:১৪আগস্ট, ২০১৫

ersadস্টাফ রিপোর্টার- জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, ভূমি দখল, চাঁদাবাজী ও টেন্ডার বাজিতে দেশের মানুষ অতিষ্ট হয়ে পড়েছে। প্রায় প্রতি দিনই মানুষ খুন হচ্ছেÑ এর কোনো সঠিক বিচার নেই। বর্তমানে দেশে একের পর এক বীভৎস কায়দায় শিশুহত্যা ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। দেশে মোটা দাগে শিশু নির্যাতনের কারণ হচ্ছে- সামাজিক অস্থিরতা। কোনো কিছুতেই কারও ধৈর্য্য থাকছে না। এর কারণ হিসেবে প্রথমে দায়ী হচ্ছেÑ বিচারহীনতা। বিচারহীনতার কারণেই দেশে অপরাধ ও শিশুহত্যার প্রবনতা বাড়ছে। এই অবস্থায় দেশ চলতে পারে না। তাই দেশের মানুষ দুই দলের হাত থেকে মুক্তি চায়।
এইচ এম এরশাদ বলেন, দেশের মানুষ জাতীয় পার্টির শাসনামলের কথা এখনো ভুলে নাই। তখন মানুষ শান্তিতে ছিলো। প্রশাসনের সকল ক্ষেত্রেই শৃঙ্খলা ছিলো। দেশে সঠিক বিচার ব্যবস্থা চালু ছিলো। এই জন্য দেশে উন্নয়নের জোয়ার ছিলো। দেশের মানুষ আবার জাতীয় পার্টিকে ক্ষমতায় দেখতে চায়।

এমপিপুত্র রনির বিরুদ্ধে অভিযোগ গ্রহণ আদালতের-Sawdeshbarta24.Com


এমপিপুত্র রনির বিরুদ্ধে অভিযোগ গ্রহণ আদালতের-Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট:১৪আগস্ট, ২০১৫

MP-Sonস্টাফ রিপোর্টার- রাজধানীর ইস্কাটনে জোড়া খুনের ঘটনায় এমপিপুত্র বখতিয়ার আলম রনির বিরুদ্ধে অভিযোগ গ্রহণ করেছেন আদালত। সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম আমিনুল হক অভিযোগপত্র গ্রহণ করে মামলাটি বিচারের জন্যে সিএমএম আদালতে পাঠিয়েছেন।
এর আগে জুলাই মাসের ২১ তারিখে এমপিপুত্র বখতিয়ার আলম রনিকে একমাত্র আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) উপ-পরিদর্শক (এসআই) ধীপক কুমার দাস।
অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিলের পর রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগের (ডিবি) যুগ্ম-কমিশনার মনিরুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, আলোচিত জোড়া হত্যার ঘটনায় তদন্ত শেষে প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। বখতিয়ার আলম রনি তার মায়ের গাড়ি ব্যবহার করে নিজের লাইসেন্স করা পিস্তল দিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়েন। এতে ঘটনার দিন একজন এবং পরে আরও একজনের মৃত্যু হয়। কাজেই এ মামলায় শুধু তাকেই আসামি করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভিডিওচিত্র, ঘটনার সময় ব্যবহৃত গাড়ি, পিস্তল ও ভিকটিমের শরীরে পাওয়া গুলির ফরেনসিক রিপোর্ট থেকে প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। ঘটনার পর গাড়িচালক ইমরানকে গ্রেফতার করা হয়। খুনের ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা না থাকায় তাকে এ মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সে এ ঘটনার অন্যতম সাক্ষী। ঘটনার সময় গাড়িতে আরও তিনজন ছিল, তারাও আদালতে এসে সাক্ষী দিয়েছেন। এ ঘটনায় ৩০ জনেরও অধিক ব্যক্তির সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

খালেদার লন্ডন সফর অনিশ্চিত-Sawdeshbarta24.Com


খালেদার লন্ডন সফর অনিশ্চিত-Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট:১৪আগস্ট, ২০১৫

khaleda-zia_011_43155স্টাফ রিপোর্টার- বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার লন্ডনে যাওয়া অনিশ্চিত। দলের একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, কাল-পরশুর মধ্যে বেগম জিয়ার লন্ডনে যাওয়ার কথা থাকলেও আপাতত তিনি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছেন। খুব শিগগির তিনি লন্ডনে যাচ্ছেন না।
গতকাল একটি  দৈনিকের অনলাইন ভার্সনে এক খবর দেয়া হয়েছে। ওই খবরে লিখেছে, চোখের চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যাওয়ার কথা ছিল বিএনপি প্রধানের। এ জন্য গত মঙ্গলবার তিনি ভিসা সেন্টারে গিয়ে ফিঙ্গারপ্রিন্টসহ যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষ করেন। আজ (গতকাল) তার ভিসা পাওয়ার কথা রয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি বেগম খালেদা জিয়ার লন্ডন সফর স্থগিতের অন্যতম কারণ। গতরাতেই তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন। এর আগে তিনি ২০ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতাদের সাথে বৈঠক করেন। এর আগে বুধবার রাতে দীর্ঘদিন পর ২০ দলীয় জোটের শরিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে বৈঠকে জোট অটুট এবং ঐক্যবদ্ধ রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

১০ ফুড অফিসারের বিদায়ী সংবর্ধনা -Sawdeshbarta24.Com


১০ ফুড অফিসারের বিদায়ী সংবর্ধনা -Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট:১২ আগস্ট, ২০১৫

স্টাফ রিপোর্টার- রাজশাহী জেলা খাদ্য অফিসের ১০ জন অবসর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বুধবার জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সুজা আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, পবা উপজেলার অবসরপ্রাপ্ত খাদ্য কর্মকর্তা রফিকুজ্জামান বেল্টু, মুক্তিযোদ্ধা উবাইদুল ইসলাম, খাদ্য অধিদপ্তরের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস আলী, যুগ্মসম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা আমিনুল ইসলাম, কার্যকরী কমিটির সদস্য নাজমুল ইসলাম, পবা প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী নাজমুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক সোহেল মাহবুব, সম্পাদক ও মানবাধিকার কর্মী এম.এ.হাবিব জুয়েল,ফটোসাংবাদিক শরীফুল ইসলাম তোতাসহ খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

গোদাগাড়ীতে হেরোইন গাঁজা উদ্ধার, আটক ১-Sawdeshbarta24.Com


গোদাগাড়ীতে হেরোইন গাঁজা উদ্ধার, আটক ১-Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট:১২ আগস্ট, ২০১৫

heroinস্টাফ রিপোর্টার- রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে একই গ্রামের আলাদা দুটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ২৯০ গ্রাম হেরোইন ও ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা।

বুধবার ভোররাতে উপজেলার জাহানাবাদ মেলাপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে এসব উদ্ধার করা হয়। এসময় এক মাদক ব্যবসায়ীকেও আটক করা হয়েছে। পরে রাতে রাজশাহী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক জিল্লুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ভোররাত ৪টার দিকে গোদাগাড়ীর জাহানাবাদ মেলাপাড়া গ্রামের আমিনুল ইসলামের ছেলে আতাবুর রহমানের (৩২) বাড়িতে অভিযান চালায়। অভিযানে ওই বাড়ি থেকে ১৪০ গ্রাম হেরোইন ও ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এসময় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আতাবুর রহমানকে (৩২) গ্রেফতার করা হয়।

প্রশিক্ষণার্থী তরুণীকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ২-Sawdeshbarta24.Com


প্রশিক্ষণার্থী তরুণীকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ২-Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট:১২ আগস্ট, ২০১৫

rape02স্টাফ রিপোর্টার- চট্টগ্রামের নাসিরাবাদে মহিলা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের এক প্রশিক্ষণার্থীকে নৈশ প্রহরী ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে গার্ড রুমে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ধর্ষক নৈশ প্রহরী সুমন (২৪) ও সহায়তাকারি জহিরকে (৩৫) গ্রেফতার করে খুলশী থানা পুলিশ।
খুলশী থানার ওসি নিজাম উদ্দিন জানান, কক্সবাজার সদরের লিংক রোডের বাসিন্দা ২২ বছর বয়সী তরুণী ১ আগস্ট ওই আবাসিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অটোমোবাইল বিভাগে ভর্তি হন। তরুণী বিবাহিত এবং এক সন্তানের জনক। সোমবার সুমন নামের নৈশ প্রহরীর কাছে একটি স্যামসাং গ্যালাক্সি মোবাইল বিক্রি করে ওই তরুণী। রাতে তাকে টাকা দেওয়ার কথা বলে ক্যান্টিনে আসতে বলে নৈশ প্রহরী সুমন। পরে ক্যান্টিনে নিয়ে সেখানে দেখাশুনার দায়িত্বে থাকা জহিরুলের সহায়তায় কোমল পানীয়র সঙ্গে ঘুমের বড়ি মিশিয়ে তরুণীকে অচেতন করে গার্ডরুমে নিয়ে রাতভর ধর্ষণ করে। ভোরে তার জ্ঞান ফিরে এলে ধর্ষণের বিষয়টি টের পায় তরুণী। সকালে থানায় গিয়ে ঘটনা জানালে পুলিশ ধর্ষক সুমন ও জহিরুলকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। সুমন ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করেছে বলে জানান ওসি।

স্পেসাল মিশনে আইএস!-Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট:১২ আগস্ট, ২০১৫


স্পেসাল মিশনে আইএস!-Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট:১২ আগস্ট, ২০১৫

isisস্টাফ রিপোর্টার- শেষবার বিশ্ব দখলের মিশন নিয়ে নেমেছিল হিটলার। তার সঙ্গে ছিল নাৎসি বাহিনী। এখনও পৃথিবী তার সেই কার্যক্রমের ভয়াবহতা নিয়ে আলোচনা করে। বিশেষত তার ইহুদি নিধন পদ্ধতির রোমহর্ষক সব বর্ণনা এক সময় পরিণত হয় ‘মিথ’ হিসেবে। এবার সেই হিটলারে কাছাকাছি পরিকল্পনা নিয়ে নিজেদের কার্যক্রম শুরু করেছে আইএসআইএস নামে জঙ্গি সংগঠনটি। ২০২০ সালের মধ্যে ভারতীয় উপমহাদেশ, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বৃহৎ অংশ দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে আইএস। সম্প্রতি সাংবাদিক এ্যান্ড্রু হস্কেনের লেখা ‘এম্পায়ার অব ফিয়ার: ইনসাইড দ্য ইসলামিক স্টেট’ শীর্ষক বইয়ে মানচিত্রসহ বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
ভারতীয় বার্তা সংস্থা পিটিআইয়ের মঙ্গলবারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইএসের প্রকাশ করা তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে বিবিসির রিপোর্টার হস্কেন মানচিত্রটি তুলে ধরেন। সেখানে দেখানো হয়েছে, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা, ভারতীয় উপমহাদেশ ও ইউরোপের কিছু অংশের দখল নিয়ে পূর্ণ খিলাফত প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করেছে আইএস। ইসলামী আইন অনুযায়ী পরিচালিত হওয়া খিলাফত পূর্বে চীন ও পশ্চিমে স্পেন পর্যন্ত বিস্তৃত থাকবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
মানচিত্রে দেখানো হয়েছে, ইউরোপের স্পেন, পর্তুগাল ও ফ্রান্সের কিছু অংশ ‘আন্দালুস’ (আরবি ভাষায়) নামে পরিচিত থাকবে। ওই অঞ্চলটি অষ্টম থেকে ১৫শ’ শতাব্দী পর্যন্ত মুরদের শাসনাধীন ছিল।
আফগানিস্তান, ভারতীয় উপমহাদেশ, চীনসহ বিশাল অংশের নাম দেওয়া হবে ‘খোরাসান’। উত্তর আফ্রিকার বিভিন্ন দেশকে ‘মাগরেব’ ও সৌদি আরবসহ কয়েকটি গাল্ফ রাষ্ট্রকে ডাকা হবে ‘হিজাজ’ বলে।
বইয়ে দাবি করা হয়েছে, প্রায় ২০ বছর আগে ৭ দফা পরিকল্পনা গ্রহণ করে আইএস। সে অনুযায়ী, ২০০০ থেকে ২০০৩ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে ইসলামী বিশ্বে আক্রমণের জন্য প্ররোচিত করা হবে। ২০১০ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে আরব শাসকদের বিরুদ্ধে জাগরণ ঘটানো হবে।
বইটিতে আরো দাবি করা হয়েছে, বর্তমানে আইএসের সদস্য সংখ্যা ৫০ হাজারেরও বেশি। তাদের মোট সম্পদের পরিমাণ ২০০ কোটি ব্রিটিশ পাউন্ডের মতো। এর বেশিরভাগ অংশই অর্জিত হয়েছে ইরাক ও সিরিয়ায় তেল এবং গ্যাসফিল্ড দখলের মাধ্যমে।
হস্কেন বলেন, “তারা (আইএস) পুরো অঞ্চলকে ইসলামী শাসনের অধীনে আনতে চায়। এক স্থানে খিলাফত প্রতিষ্ঠার পর তারা তা বিস্তৃত করবে। এভাবে তারা পুরো বিশ্বকে খিলাফতের অধীনে নিয়ে আসবে।”
তিনি আরো বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়াসহ ৬০টি রাষ্ট্র তাদের (আইএস) বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। তাই যে কেউ ভাবতে পারেন, তাদের পক্ষে এটা (পুরো বিশ্বের দখল নেওয়া) সম্ভব হবে না। তবে কেউ ভেবে দেখতে পারেন, তারা ইতোমধ্যেই প্রথম ধাপে সফল হয়েছে।

বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা সহজ করতে চায় ভারত-Sawdeshbarta24.Com


বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা সহজ করতে চায় ভারত-Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট:১২ আগস্ট, ২০১৫

স্টাফ রিপোর্টার- বাংলাদেশে নিযুক্ত রাজশাহীস্থ ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনের সহকারী হাই কমিশনার সন্দ্বীপ মিত্র বলেছেন, ভারত সরকার বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা পদ্ধতি আরো সহজীকরণ করতে চায়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা থাকলেও তা উভয় দেশের স্বার্থ বিবেচনা করে দ্রুত নিরসনের ব্যাপারে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
মঙ্গলবার সকালে আরসিসিআই বোর্ড রুমে রংপুর চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নব নির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি আরো বলেন,  ব্যবসায়ীদের জন্য মাল্টিপল ও মাল্টিপোর্ট ভিসা বৃদ্ধি করা হবে। বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্পর্ক জোরদার করা হবে। রংপুরের ব্যবসায়ীদেরকে উভয় দেশের সম্ভাবনাসমূহকে কাজে লাগিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পায়নের মাধ্যমে এ দেশকে এগিয়ে নেয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, রংপুর চেম্বারের প্রেসিডেন্ট মো. আবুল কাশেম, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোস্তফা আহমেদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মোজাম্মেল হক ডাম্বেল ও পরিচালক মো. হাবিবুর রহমান রাজা, পার্থ বোস, মো. এনামূল হক সোহেল, মো. আশরাফুল আলম আল আমিন ও মো. জাভেদ হাসান, রামকৃষ্ণ সোমানী, মো. আজিজুল ইসলাম মিন্টু, অজয় প্রসাদ বাবন, সত্যজিৎ কুমার ঘোষ, মো. আমজাদ হোসেন চৌধুরী ও রংপুর চেম্বারের সাবেক পরিচালক রবি সোমানী ও মো. শাহজাহান বাবু।

বনদস্যুরা পেশা পরিবর্তন করে শিকারে নেমেছে: ডিআইজি-Sawdeshbarta24.Com


বনদস্যুরা পেশা পরিবর্তন করে শিকারে নেমেছে: ডিআইজি-Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট:১২ আগস্ট, ২০১৫

digস্টাফ রিপোর্টার- সুন্দরবনের বাঘ ও হরিণসহ অন্যান্য প্রাণী যারা শিকার করবে তাদেরকে কোন ছাড় দেয়া হবে না। এই বন আমাদের জাতীয় সম্পদ, এটাকে রক্ষা করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সুন্দরবনের বনদস্যুরা প্রশাসনের চাপে টিকতে না পেরে বর্তমানে পেশা পরিবর্তন করে বাঘ ও হরিণ শিকারের পথ বেছে নিয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে খুলনার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক প্রেসব্রিফিং-এ খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি এস এম মনিরুজ্জামান মনি এ কথা বলেন।
সম্প্রতি সুন্দরবনের মান্দারবাড়িয়া এলাকায় বন্দুকযুদ্ধে ছয় বাঘ শিকারি নিহত হওয়ার ঘটনায় এই ব্রিফিং-এর আয়োজন করা হয়। এসময় শিকারিদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া বাঘের তিনটি চামড়া, বন্দুক ও কার্তুজ প্রদর্শন করা হয়।
বন্দুকযুদ্ধে ৬ বাঘ শিকারির বিষয়ে তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত এক সপ্তাহে গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়। এক পর্যায়ে দক্ষিণ বেদকাশীর চরামুখা এলাকা থেকে বাঘের চামড়াসহ একজনকে গ্রেফতার করা হয়। তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক সুন্দরবনের মান্দারবাড়িয়া খালে অভিযান চালানো হয়। সেখানে বন্দুক যুদ্ধে ৬ জন নিহত হয়।
তিনি আরো বলেন, সুন্দরবনে অভিযান চালানোর মত সরঞ্জাম পুলিশের কাছে নেই। বর্তমানে কোষ্টগার্ডের সহায়তায় অভিযান চালানো হচ্ছে। তিনি পুলিশের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম বৃদ্ধির দাবি জানান।

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিলে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা -স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-Sawdeshbarta24.Com


ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিলে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা -স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট:১২ আগস্ট, ২০১৫

asad স্টাফ রিপোর্টার- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে লেখালেখি করলে ব্লগারদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি বলেন, ‘কোনো ধর্ম নিয়েই কটূক্তি করা যাবে না।’ গতকাল রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের অধীন ঢাকা আঞ্চলিক কার্যালয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

নিলয় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলার তদন্তের ব্যাপারে তিনি বলেন, আমাদের কাছে যথেষ্ট ক্লু রয়েছে। আমরা অনুমান নির্ভর কিছু করতে চাই না। কাউকে গ্রেফতার করতে চাই না। তথ্য প্রমাণের ওপর ভিত্তি করে আমরা ব্যবস্থা নেব।

বিএনপি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে: এরশাদ-Sawdeshbarta24.Com


বিএনপি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে: এরশাদ-Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট:১২ আগস্ট, ২০১৫

ersadস্টাফ রিপোর্টার- জাতীয় পার্টি (জাপা) চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদ বলেছেন, ‘এক সময় বিএনপি ও তার দোসররা জাপাকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল, কিন্তু আজ তারা নিজেরাই ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে।’

তার বনানী কার্যালয়ে বরগুনার জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও প্রাক্তণ এমপি জাফরুল হাসান ফরহাদের জাপায় যোগদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

এরশাদ বলেন, ‘দেশের মানুষ এখন জাপাকে চায়। আগামীতে আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব জাপায় যোগ দেবেন।’

সরকারের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত বলেন, ‘যে দেশে মায়ের পেটের শিশু নিরাপদ নয়, সে দেশে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা থাকবে কীভাবে? যেভাবে দেশে নারী-শিশুকে নির্যাতন ও হত্যা করা হচ্ছে, তা কারও কাছে কাম্য হতে পারে না। জড়িতদের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

আপরাধ মালা পত্রিকার সম্পাদক ইয়াহিয়ার মুক্তি -Sawdeshbarta24.Com


আপরাধ মালা পত্রিকার সম্পাদক ইয়াহিয়ার মুক্তি -Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট:১২ আগস্ট, ২০১৫

raj-Photo20150811215618স্টাফ রিপোর্টার- রাজশাহীতে দ্রুত বিচার আইনে দায়েরকৃত মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় মামলার দায় হতে বেকসুর খালাস পেয়েছেন সাপ্তাহিক “আপরাধ মালা” পত্রিকার সম্পাদক ইয়াহিয়া সরকার।
আজ মঙ্গলবার দুপুর ৩টার দিকে রাজশাহী চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত-১ এর বিচারক মকসেদা আসগর এ রায় প্রদান করেন।মামলার এজাহার ও আসামী পক্ষের আইনজীবি শিরাজী শওকত সালেহীন এলেন জানান, দীর্ঘ ১৩ বছর আগে নগরীর উপশহর এলাকার সেক্টর নং ৩ ও ৩৪ নম্বরের একটি ভাড়া বাড়িতে বিদ্যুৎ চুরির ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করেন বাড়ির ভাড়াটিয়া সাংবাদিক ইয়াহিয়া সরকার। এ ঘটনার জের ধরে সে বাড়ির কেয়ারটেকার মাজদার স্থানীয় কয়েকজন সন্ত্রাসীদের দিয়ে ইয়াহিয়ার উপর হামলা চালায়।

পরে তিনি ২০০২ সালের ১৪ অক্টোবর রাজশাহী দ্রুত বিচার আদালতে ওই আইনে বাড়ির কেয়ারটেকার মাজদার, বাড়ির মালিক পরিচয় দানকারী ডা. শাইলা, মিজানসহ কয়েকজনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বোয়ালিয়া মডেল থানার এসআই রফিকুল ইসলাম মামলাটি তদন্ত করেন। পরে তিনি ও তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহীদুল হক তার দায়েরকৃত মামলাটি মিথ্যা প্রমাণ করে মামলার বাদী ইয়াহিয়া সরকারের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনের ২১১ ধারায় অপর একটি মামলা দায়ের করে তাকে গ্রেফতার করেন।

এ ঘটনায় তার আইনজীবি মহামান্য হাইকোর্টে মামলাটির স্থগিতাদেশ চেয়ে জামিনের প্রার্থনা করেন। শুনানি শেষে মামলাটির সকল কার্যক্রম স্থগিতসহ তাকে জামিন প্রদান করে হাইকোর্ট।
এদিকে, দীর্ঘ ১৩ বছর পর পুনরায় হাইকোর্ট থেকে মামলাটি’র নিস্পত্তির জন্য রাজশাহীর চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত-১ পাঠিয়ে দেয়া হয়। পরে ৩ মাস মামলাটির সাক্ষি গ্রহণ শেষে তার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে উক্ত মামলার দায় হতে বেকসুর খালাস প্রদান করেন আদালতটির বিচারক।

ব্লগার হত্যাকারীদের বিচারের আওতায় আনুন: বান কি-মুন- Sawdeshbarta24.Com


ব্লগার হত্যাকারীদের বিচারের আওতায় আনুন: বান কি-মুন- Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট:১১ আগস্ট, ২০১৫

ban kinস্টাফ রিপোর্টার-ব্লগার নীলাদ্রি চট্টোপাধ্যায় ওরফে নিলয় নীল হত্যাসহ সকল ব্লগার হত্যা বিচারের আওতায় আনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি-মুন।

ব্লগার নিলয় হত্যার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে শনিবার দেয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ আহ্বান জানান।যত দ্রুত সম্ভব’ খুনিদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি ‘ভয়ঙ্কর’ এই হত্যাকাণ্ডে বাংলাদেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতার ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে কি না, সে আশঙ্কাও প্রকাশ করেন জাতিসংঘ মহাসচিব।একই সঙ্গে সব বাংলাদেশি যাতে তাদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং অন্য সকল মানবাধিকার শঙ্কাহীনভাবে চর্চা করতে পারেন, তা নিশ্চিতেও সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

নিরাপত্তাহীনতায় রাজনের পরিবার – Sawdeshbarta24.Com


নিরাপত্তাহীনতায় রাজনের পরিবার – Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট:১১ আগস্ট, ২০১৫

ra234 স্টাফ রিপোর্টার-উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় জেলা সিলেটে চুরির অভিযোগে নির্যাতন চালিয়ে হত্যার শিকার কিশোর সামিউল আলম রাজনের বাবা আজিজুর রহমান বলছেন, তিনি ও তার পরিবার এখনো নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

তিনি বলেন, ‘আমার পরিবারের এখন নিরাপত্তা নেই। তারা তো প্রভাবশালী। তারা যে কোনো সময়ে মেরে ফেলতে পারে আমাদের।’এ রকম প্রেক্ষাপটে নিজেদের নিরাপত্তাসহ চারটি দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবর একটি স্মারকলিপি দিয়েছেন আজিজুর রহমান।স্মারকলিপিতে তিনি সৌদি আরবে আটক মূল আসামি কামরুল ইসলামকে দেশে ফিরিয়ে আনারও দাবি জানিয়েছেন।

স্মারকলিপিটি গতকাল (রবিবার) সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শহীদুল ইসলাম চৌধুরীর হাতে তুলে দেন আজিজুর রহমান।শহীদুল ইসলাম চৌধুরী স্মারকলিপি পেয়েছেন বলে উল্লেখ করে জানান, আজিজুর রহমানের পরিবারের নিরাপত্তা, কামরুল ইসলামকে ফিরিয়ে আনা এবং দোষীদের দ্রুত বিচার করে শাস্তি দেয়াকেই এখন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে প্রশাসন।তিনি বলেন, ‘সোমবার আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক যে বৈঠকটি হয়েছে, সেখানে এটিই ছিল মূল এজেন্ডা।’

এদিকে পুলিশ বলছে, সামিউল হত্যা মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার কামরুল আহসান বলেন, ‘আমরা ১২ জন আসামি ধরেছি। আটজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। সাক্ষী সংগ্রহ হয়ে গেছে। তদন্তে যা যা করা লাগে সবই হয়ে গেছে। শিগগিরই আমরা অভিযোগপত্র দেব।’

এই মামলার মূল আসামি কামরুল ইসলামকে সৌদি আরব থেকে ফিরিয়ে আনার জন্য ইন্টারপোলের মাধ্যমে চেষ্টা চলছে বলেও উল্লেখ করেন কামরুল আহসান।

বাস ছাড়তে দেরি করায় চালককে পিটিয়ে হত্যা- Sawdeshbarta24.Com


বাস ছাড়তে দেরি করায় চালককে পিটিয়ে হত্যা- Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট:১১ আগস্ট, ২০১৫

lash uddhar02স্টাফ রিপোর্টার-বাস ছাড়তে বিলম্ব করায় রাজধানীতে শ্যামলী পরিবহনের এক বাস চালককে পিটিয়ে হত্যা করেছে যাত্রীরা।সোমবার রাত ১১টার দিকে সায়েদাবাদ জনপদ মোড়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।নিহত বাসচালকের নাম শিবু চন্দ্র দে (৪৫)। তিনি সিলেট জাফলং গ্রামের মৃত হরিপদ চন্দ্র দের ছেলে।

নিহত বাস চালকের সহযোগী (বাস হেলপার) শামীম হোসেন জানান, রাত ১০টার তাদের বাস সায়েদাবাদ জনপদ মোড়ে আসার কথা। সেখান থেকে সিলেটে যাবেন তারা। কিন্তু ফকিরাপুল থেকে ছেড়ে এসে সায়েদাবাদ জনপদ মোড়ে পৌঁছতে ১১টা বাজে তাদের।এরপর জনপদ মোড় ৬ নম্বর কাউন্টারে আরো যাত্রী নেয়ার জন্য বাস থামানো হলে বাসে থাকা অন্যান্য যাত্রীরা উত্তেজিত হয়ে চালককে ধাক্কা দিয়ে ইঞ্জিন কভারের ওপর ফেলে মারধর করে।

গুরুতর আহত অবস্থায় চালককে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানে আনা হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান তার সহকারী।ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মোজাম্মেল হক জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই বাস চালকের মৃত্যু হয়েছে।

লন্ডন যেতে ভিসার আবেদন খালেদার – Sawdeshbarta24.Com


লন্ডন যেতে ভিসার আবেদন খালেদার – Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট:১১ আগস্ট, ২০১৫

khaledaস্টাফ রিপোর্টার-সোমবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে বিএনপি চেয়ারপারসন আবেদনপত্র জমা দিতে গুলশানের দুই নম্বরে ‘ভিএফএফ গ্লোবাল’ অফিসে যান।সেখানে ছবি তোলা, ফিঙ্গার প্রিন্টসহ যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে পৌনে ৭টার দিকে তিনি বাসায় ফিরে যান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য কূটনীতিক সাবিহউদ্দিন আহমেদ।

চিকিৎসার জন্য দুই-একদিনের মধ্যেই তিনি ঢাকা ছাড়তে পারেন বলে সকালে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল। খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান ২১ অগাস্ট মামলায় হুলিয়া নিয়ে গত সাত বছর ধরে সেখানে রয়েছেন।দলের মুখপাত্রের দয়িত্বে থাকা আসাদুজ্মান রিপন জানান, খালেদা জিয়া সেখানে দিন দশেক থাকতে পারেন।“উনার (খালেদা জিয়া) ডাক্তারকে দুই বার দেখাতে হবে। সেই হিসেবে সপ্তাহখানেক অথবা সর্বোচ্চ ১০ দিন তিনি যুক্তরাজ্যে অবস্থান করবেন।”খালেদা কোন সমস্যার জন্য চিকিৎসা নেবেন সে বিষয়ে রিপন কিছু না বললেও বিএনপির একাধিক নেতা এ প্রশ্নে চোখের চিকিৎসার কথা বলেছেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের আইনজীবীরা ইতোমধ্যে তার চোখের চিকিৎসার কথা বলে জিয়া দাতব্য ট্রাস্ট ও জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলার বিচারকের কাছে বিদেশে যাওয়ার অনুমতিও চেয়েছেন।২০০৬ সালের শেষ দিকে ক্ষমতা ছাড়ার পর যুক্তরাজ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দ্বিতীয় সফর এটি। ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফেরার আগে বড় ছেলে তারেককে দেখতে লন্ডনে গিয়েছিলেন তিনি।বিএনপি নেতারা জানান, খালেদা জিয়া গতবছর ওমরাহ করতে সৌদি আরবে গেলে তারেকও লন্ডন থেকে সেখানে গিয়েছিলেন। এরপর আর মা-ছেলের দেখা হয়নি।

ডজন খানেক মামলার পলাতক আসামি তারেক ২০০৮ সাল থেকে পরিবার নিয়ে লন্ডনে অবস্থান করছেন। ইতোমধ্যে তার বাংলাদেশি পাসপোর্ট বৈধতা হারানোয় তিনি এখন শরণার্থী হিসেবে দেশটিতে অবস্থান করছেন বলে ঢাকা ও লন্ডনের বিভিন্ন সূত্রের খবর।

নিমিষেই হাওয়া ট্রাক বাস-Sawdeshbarta24.Com


নিমিষেই হাওয়া ট্রাক বাস-Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট:১১ আগস্ট, ২০১৫

 স্টাফ রিপোর্টার-দুপুরে ঢাকার আগারগাঁও তালতলা এলাকায় ফিটনেসবিহীন যানবাহন আটকে অভিযান চালায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ভ্রাম্যমাণ আদালত। দুপুর সাড়ে ১২টায় অভিযান শুরু হতে না হতেই ব্যস্ত এই রাজপথ থেকে উধাও হয়ে যায় যাত্রীবাহী বাস। অভিযান শুরুর কথা জানায় ডিএমপির গণমাধ্যম শাখা। কিন্তু অভিযান শুরু হয় নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা পর। ম্যাজিস্ট্রেট মশিউর রহমানের নেতৃত্বে আগারগাঁও আবহাওয়া অধিদপ্তরের সামনের সড়কে ব্যারিকেড বসিয়ে বাস থামানো শুরু হয়। রাস্তার অন্যপ্রান্তে ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল কুদ্দুসের নেতৃত্বে ডিএমপির পুলিশ সদস্যরা একের পর এক বাস থামাতে থাকেন।কিন্তু একদিকে যেমন বাস আটক করা হয়, নামিয়ে দেওয়া হয় যাত্রীদের। ভাড়া ফেরত নিয়ে চালকের সহযোগীদের সঙ্গে চলে যাত্রীদের বাগ্‌বিতণ্ডা। আবদুল শুকুর নামে এক যাত্রী বলেন, ‘গুলিস্তান যাব। এভাবে মাঝপথে আমাদের নামিয়ে কী লাভ! এখান থেকে তো অন্য বাসও পাওয়া যাবে না। শুধু বাস ধরে কেন? প্রাইভেট কারের কি ফিটনেস আছে!

অন্যদিকে অভিযানের খবর পেয়ে আগারগাঁও মোড় ও তালতলা মোড় থেকে ঘুরে যেতে থাকে একের পর যাত্রীবাহী বাস। তাই অভিযান শুরুর মাত্র দশ মিনিটের মধ্যে কমে যায় বাসের সংখ্যা।
আটক বাস থেকে নামিয়ে আনা হয় চালকদের। বাসের ফিটনেসের কাগজ থাকলেও লাইসেন্স না থাকার কারণ দেখিয়ে চালকদের বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।ঢাকেশ্বরী-মিরপুর রুটের সেফটি পরিবহনের চালক ইব্রাহিম বলেন, ‘আমার গাড়ির ফিটনেসের কাগজ ঠিক আছে। আমার বিআরটিএর দেওয়া রানার লাইসেন্স আছে। মূল লাইসেন্স পাব দুই মাস পর। তবুও আমাকে আটক করা হইছে।’
ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১৫ জন চালকের সাজা হলেও, অভিযান শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বাস মালিক সমিতির মালিক ও নেতাদের ছিল সরব উপস্থিতি। কেউ ছিলেন তদবিরে ব্যস্ত। কেউবা মুঠোফোনে যোগাযোগ করছিলেন ঊর্ধ্বতন কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সামনে মিরপুর-গুলিস্তান রুটের ইটিসি পরিবহনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘যেসব বাস আটক করছে সব বাসের ফিটনেস ঠিক আছে। তবুও মামলা দেওয়া হচ্ছে। প্রাইভেট কার ধরা হচ্ছে না কেন! এভাবে অভিযান চললে আমাদের বাস চালানো বন্ধ করা ছাড়া উপায় নেই।

মোবাইল থেকেই মহাসড়কে নজর ট্রাফিক বিভাগের Sawdeshbarta24.Com


মোবাইল থেকেই মহাসড়কে নজর ট্রাফিক বিভাগের Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট:১১ আগস্ট, ২০১৫

w4IzwI4oZw3rস্টাফ রিপোর্টার-পর্যাপ্ত ট্রাফিক পুলিশ এবং সঠিক মনিটরিংয়ের অভাবে যানজটে নাকাল যেখানে খোদ রাজধানীবাসী, সেখানে গাজীপুরের ট্রাফিক ব্যবস্থায় ইন্টারনেট প্রোটোকল ক্যামরা সিস্টেম বা আইপি ক্যামেরা প্রযুক্তি দেখাচ্ছে নতুন আশার আলো। অফিসে বসেই আইপি ক্যামেরার মাধ্যমে জেলা সংলগ্ন মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে নজর রাখছেন গাজীপুর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের সদস্যরা। এমনকি নিজেদের স্মার্ট মোবাইল দিয়েই মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে যান চলাচল ও সার্বিক গতিবিধির ওপর নজর রাখছেন তারা।

প্রাথমিকভাবে টাঙ্গাইল পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ পরীক্ষামূলকভাবে আইপি ভিত্তিক ট্রাফিক মনিটরিং ব্যবস্থা শুরু করেন। তবে  মহাসড়কে সর্বপ্রথম পূর্ণাঙ্গভাবে আইপি ভিত্তিক মনিটরিং শুরু করে গাজীপুর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ। পুরো ব্যবস্থাটি ঢাকার পুলিশ হেডকোয়ার্টার থেকে তদারক করা হয়। পুলিশ হেডকোয়ার্টারের ইকুইপমেন্ট অ্যান্ড অপারেশন টিম আইপি ক্যামেরাগুলোর কারিগরি দিক দেখাশোনা করে এবং তাদের ইন্টারনেট সংযোগ দিচ্ছে একটি বেসরকারি মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠান।

তবে প্রথমবারের মতো ১৭ টি ক্যামেরা নিয়ে পূর্ণাঙ্গভাবে আইপি-মনিটরিং শুরু করে গাজীপুর ট্রাফিক বিভাগ। ব্যস্ত এলাকা গাজীপুরের টঙ্গি স্টেশন রোড, চন্দ্রা, গাজীপুর চৌরাস্তা এবং স্থানীয় একটি ফিলিং স্টেশন সংলগ্ন পয়েন্টগুলোতে লাগানো ক্যামেরা দিয়ে কম লোকবল দিয়েও ট্রাফিক মনিটরিংয়ের কাজ করতে তেমন সমস্যা হচ্ছে না। তবে কাজ শুরুর পর প্রায় এক বছর পার হতে না হতেই সংকটে পড়েছে সম্ভাবনার এই প্রকল্পটি। কতৃপক্ষের উদাসীনতা এবং প্রচুর ইন্টারনেট বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে বলে প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কিত সংশ্লিষ্টরা।

বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় ক্যালকুলেটর ব্যবহারের অনুমতি- Sawdeshbarta24.Com


বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় ক্যালকুলেটর ব্যবহারের অনুমতি- Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট:১১ আগস্ট, ২০১৫

calcuস্টাফ রিপোর্টার-গাণিতিক যুক্তি, গণিত, ফলিত গণিত, পদার্থবিদ্যা, ফলিত পদার্থবিদ্যা, পরিসংখ্যান, হিসাববিজ্ঞান ও কম্পিউটার সায়েন্স বিষয়ের লিখিত পরীক্ষায় প্রার্থীরা ক্যালকুলেটর নিতে পারবেন।

এর বাইরে ইলেকট্রনিক্স এবং ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বিষয়গুলোতে প্রার্থীদের ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে দেওয়া হলেও অন্য সব বিষয়ে ক্যালকুলেটর ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকবে।গত ২৬ জুলাই ৩৫তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার সূচি প্রকাশ করে পিএসসি জানিয়েছিল, প্রার্থীদের কাছে ক্যালকুলেটর বা কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস পাওয়া গেলে তার প্রার্থিতা বাতিল করা হবে।

ওই বিজ্ঞপ্তি সংশোধন করে কয়েকটি বিষয়ে ক্যালকুলেটর ব্যবহারের অনুমতি দিল কমিশন। বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায়ও ক্যালকুলেটর ব্যবহার নিষিদ্ধ রয়েছে।আগামী ১ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর ৩৫তম বিসিএসের আবশ্যিক বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা শেষে ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত পদসংশ্লিষ্ট বিষয়ের পরীক্ষা হবে।

সমালোচনায় কাদের Sawdeshbarta24.Com


সমালোচনায় কাদের Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট:১১ আগস্ট, ২০১৫

kader02 স্টাফ রিপোর্টার-অটোরিকশা, টেম্পোসহ অযান্ত্রিক কম গতির ও তিন চাকার সব যানবাহনকে দুর্ঘটনার জন্য দায়ী করে ১ অগাস্ট থেকে সারাদেশের মহাসড়কে এসব যান চলাচল নিষিদ্ধ করে সরকার।

গত রোববার পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করতে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে যান ওবায়দুল কাদের। এরপর পরই নিজের ফেইসবুক পাতায় একটি ছবির অ্যালবাম আপলোড করেন তিনি।

‘রোড সেফটি প্রোগ্রাম মাওয়া ০৯/০৮/২০১৫’ নামের ওই অ্যালবামের একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে, একজন চালককে কান ধরে বসতে বলছেন একজন পুলিশ কর্মকর্তা। আর তার সামনে দাঁড়িয়ে আছেন কালো প্যান্ট ও সাদা শার্ট পরা ওবায়দুল কাদের।

মন্ত্রীর ছবিটি ফেইসবুকে শেয়ার করে আহমেদ জুয়েল নামে একজন লিখেছেন, “মানুষকে এভাবে অপমান করার এখতিয়ার এই মন্ত্রী সাহেব কোথায় পেলেন? আইন লঙ্ঘন করলে আইন অনুযায়ী তার শাস্তি হবে। কিন্তু এভাবে সবার সামনে অপমান করার অধিকার তারে দিল কে? এই প্রজাতন্ত্র? এই দেশ? এই জনগণ?

“মন্ত্রী সাহেব, মনে রাইখেন, এরাই ভোট দিয়া আপনারে মন্ত্রী বানাইছে। মানুষকে সম্মান দিতে শিখুন। আর মানুষ যাতে আইন মানতে বাধ্য হয় সেই ব্যবস্থা করুন। খামোখা সাধারণের দুশমন হইয়েন না। ফেসবুকে এই ছবি শেয়ার করে যা বোঝাতে চাইলেন, তা আমাদের আহত করেছে।

লবন উপকারী নাকি ক্ষতিকর-SawdeshBarta24.Com


লবন উপকারী নাকি ক্ষতিকর–Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট-২০আগস্ট ২০১৫

saltফাহমিদা-:- খাদ্যে লবণের ব্যবহার নিয়ে অনেকের মধ্যে রয়েছে বিভ্রান্তি। লবণ খাব কি না এ নিয়ে রয়েছে দ্বিধাদ্বন্দ্ব। লবণ কি শুধুই খাবারের স্বাদ বাড়ায় নাকি স্বাস্থ্য রক্ষায়ও এর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে? সত্যিকার অর্থে শরীরে লবণের প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার করার উপায় নেই।

লবণ ছাড়া কি কোনো খাবার আপনার মুখে রুচবে? কেউ যদি বলেন, লবণ আপনার স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে, তিনি ভুল বলেন। যেকোনো বস্তুরই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। হৃদরোগের জন্য অ্যাসপিরিন দেয়া হয়। আরো অনেক কারণেই অ্যাসপিরিন খেতে বলা হয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের এক যুগান্তকারী ওষুধ অ্যাসপিরিন। কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত অ্যাসপিরিন খেলে অথবা পেপটিক আলসারের রোগীরা অ্যাসপিরিন খেলে কতটা স্বাস্থ্যসমস্যায় পড়তে পারেন সে হিসেব আছে? অ্যাসপিরিনের কথা বাদই দিলাম, ভিটামিনের কথাই ধরা যাক। কে না জানেন, ভিটামিন শরীরের জন্য অপরিহার্য পুষ্টি উপাদান। কিন্তু অতিরিক্ত ভিটামিন খেলে ঘটতে পারে মারাত্মক স্বাস্থ্য বিপর্যয়। একইভাবে পরিমিত লবণ গ্রহণ শরীরের জন্য অপরিহার্য। কেউ যদি পুরোপুরি লবণ বাদ দেন তিনি বিভিন্ন স্বাস্থ্য বিপর্র্যয়ের মুখে পড়বেন। সব ওষুধের কিংবা বিভিন্ন খাদ্য তখন যেমন সতর্কতা কিংবা ক্ষেত্রবিশেষে বিধি-নিষেধ রয়েছে তেমনি লবণের ক্ষেত্রেও রয়েছে। তাই বলে লবণকে পুরোপুরি বাদ দেয়ার কথা কেউ বলতে পারেন না। আপনি অ্যালার্জির কারণে ডিম খান না, অন্য কেউ হয়তো কোলেস্টেরল বেড়ে যাবে এ ভয়ে ডিম খান না, কিন্তু যাদের এ সমস্যা নেই, কিংবা যাদের শরীরে প্রোটিনের প্রয়োজন রয়েছে তারা কি ডিম খাওয়া বাদ দেবেন? ঠিক একইভাবে, শরীরে লবণের ঘাটতি এড়াতে লবণ না খেয়ে উপায় কী? হুট করে লবণ বাদ দেয়াও ঠিক নয়। নির্দিষ্ট শারীরিক কোনো কারণ ছাড়া লবণ বাদ দেবেন কেন? লবণকে প্রয়োজনে সীমিত মাত্রায় গ্রহণ করতে পারেন, কিন্তু পুরোপুরি বাদ দিতে পারেন না। কারণ শরীরে লবণের অভাব হলে দেখা দিতে পারে বিভিন্ন উপসর্গ।

লবণ কী?
খাদ্য লবণ হিসেবে আমরা যেটা গ্রহণ করি সেটা হলো সোভিয়াম কোরাইড। সোডিয়াম ও কোরাইড দুটো উপাদানের সমন্বয়ে এটা একটি সাদা স্ফটিকসদৃশ রাসায়নিক যৌগ। বিশ্বের অনেক স্থানে প্রাকৃতিকভাবে লবণ পাওয়া যায়। সমুদ্রের পানিতে রয়েছে প্রচুর লবণ। এতে গড়ে ২.৬ শতাংশ (ওজনে) সোডিয়াম কোরাইড রয়েছে বা প্রতি কিউবিক কিলোমিটারে রয়েছে ২৬ মিলিয়ন মেট্টিক টন। সমুদ্রের পানিতে অন্যান্য দ্রবণীয় কঠিন বস্তু রয়েছে, তবে সব দ্রবণীয় কঠিন বস্তুর প্রায় ৭৭ শতাংশই লবণ।
সোডিয়াম কোরাইডের স্ফটিকগুলোকে ঘনক্ষেত্রবিশিষ্ট ধরনের। তাপমাত্রায় এর স্ফটিকসদৃশ গঠন পরিবর্তিত হতে পারে।
লবণ বিভিন্ন ধরনের রয়েছে, যেমন ইভাপোরেটেড সল্ট, রক সল্ট, সোলার সল্ট ইত্যাদি। রক সল্ট বা খনিজ লবণে সোডিয়াম কোরাইড রয়েছে ৯৫ শতাংশ থেকে ৯৯ শতাংশ। ইভাপোরেটেড ও সোলার লবণে সোডিয়াম কোরাইড রয়েছে ৯৯ শতাংশের বেশি। ইভাপোরেটেড বা বাষ্পীভূত লবণ তৈরি করা হয় সমুদ্রের নোনাপানিকে উচ্চ পরিশোধিত করে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এতে সোডিয়াম কোরাইডের পরিমাণ থাকে ৯৯.৯৯ শতাংশ।
সাধারণ লবণ বা সোডিয়াম কোরাইডকে আমেরিকার ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিসট্রেশন নিরাপদ খাদ্য সংযোজন দ্রব্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

শরীরে লবণের ভূমিকা
সাধারণভাবে শরীরে লবণ নিম্নলিখিত ভূমিকা পালন করে
ষ সছিদ্র পর্দার ভেতর দিয়ে তরল পদার্থের ক্ষরণ বা আস্রবণ সংক্রান্ত অবস্থা সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করে। লবণের কারণে শরীরের এক কোষ থেকে অন্যকোষে তরল পদার্থের চলাচল সম্ভব হয়
ষ পানির সমতা বজায় রাখে
ষ রক্তের ঘনমান সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করে
ষ শরীরের জলীয় অংশে অম্ল ও ক্ষারের সমতা সঠিকভাবে বজায় রাখে
ষ টিস্যু গঠনে বিশেষ করে হাড় ও দাঁতের গঠনে সাহায্য করে
ষ মাংসপেশি ও স্নায়ুকোষের স্বাভাবিক উত্তেজনা বজায় রাখে
ষ রক্ত জমাট বাঁধার পরিবেশ বজায় রাখে
ষ কিছু এনজাইম এবং হরমোন ব্যবস্থায় ও অক্সিজেন সরবরাহে প্রয়োজনীয় উপাদান হিসেবে যোগান দেয়
ষ কোষের আবরণ এবং কৈশিক নালীতে জলীয় উপাদানের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে
লবণের অন্যান্য ব্যবহার
ষ খাদ্য তৈরিতে এবং খাদ্যকে উপাদেয় করতে
ষ রাসায়নিক এবং পরিষ্কারক বস্তু হিসেবে
ষ লবণ পোকামাকড় মারতে সাহায্য করে এবং পিঁপড়েকে দূরে রাখে
ষ লবণ ব্যবহারে বাথটাব এবং গোসলখানার দাগ দূর হয়ে ঝকঝকে তকতক করে
ষ লবণের হালকা দ্রবণ চমৎকার মাউথওয়াশ হিসেবে কাজ করে। এটা দিয়ে গরগরা করা যায় এবং সুন্দরভাবে চোখ ধোয়া যায়
ষ এটা একটি কার্যকর দাঁতের মাজন। অ্যান্টিসেপটিক হিসেবেও লবণ কার্যকর
ষ পানিতে লবণ মিশিয়ে গরম করলে তাপমাত্রা বেড়ে যায় এবং রান্নার সময়টাও কম লাগে অর্থাৎ রান্না খুব সহজ হয়
ষ লবণ পানিতে ডিম সেদ্ধ করলে খোসা ছড়ানো সহজ হয়
ষ লবণ পানিতে ডিম পোচ করলে ডিম সাদা থাকে
ষ খোসা ছাড়ানোর পর ঠাণ্ডা, হালকা লবণ পানিতে আপেল, নাশপাতি ও আলু ডুবিয়ে নিলে তারা পূর্বাবস্থার রঙ ফিরে পায়
ষ লবণ পানিতে স্পিনিজ ধুয়ে নিলে বারবার পরিষ্কার করার দরকার হয় না
ষ তৈলাক্ত প্যান পরিষ্কার করার সময় সামান্য লবণ মেশালে সহজে পরিষ্কার হয়
ষ কাপে চা কিংবা কফির দাগ পড়লে লবণ দিয়ে পরিষ্কার করলে সহজেই দূর হয়
ষ লবণ ও সোডা পানি দিয়ে রেফ্রিজারেটর পরিষ্কার করলে ভেতরটা ভালো থাকে
ষ কফি বানানোর সময় সামান্য লবণ মেশালে কফির স্বাদ বেড়ে যায়
ষ হাত থেকে পেঁয়াজের গন্ধ দূর করতে লবণে ভিনেগার মিশিয়ে হাতে ঘষলে গন্ধ সহজেই দূর হয়
ষ দুধে এক চিমটি লবণ মেশালে দুধ দীর্ঘ সময় সতেজ থাকে
ষ গোশত, মাছ কিংবা অন্য অনেক খাবার সংরক্ষণে লবণ ব্যবহার করা হয়

লবণ এবং স্বাস্থ্য
লবণ কেবল জীবনের জন্যই প্রয়োজনীয় নয় সুস্বাস্থ্যের জন্যও লবণের প্রয়োজনীয় রয়েছে। লবণ শরীরের কোষগুলোর ভেতর ও বাইরের ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্য বজায় রাখে। আমাদের অধিকাংশ লবণ আসে খাদ্য থেকে, কিছুটা আসে পানি থেকে। চিকিৎসকরা সচরাচর ব্যায়াম করার সময় পানি ও লবণের ক্ষয় পূরণ করতে লবণ-পানি গ্রহণের পরামর্শ দেন। যারা বাইরে শারীরিক পরিশ্রম করেন তাদেরও লবণ গ্রহণ করা উচিত। গরমে পানি শূন্যতা এবং হিট ক্রাম্প থেকে রেহাই পেতে লবণ পানির মিশ্রণ খেতে হবে। সন্তানসম্ভবা মায়েদের পর্যাপ্ত লবণ গ্রহণের পরামর্শ দেয়া হয়।
ক্রনিক ফ্যাটিগ সিনড্রোমের ক্ষেত্রে লবণ গ্রহণের পরিমাণ বাড়িয়ে দিলে সন্তোষজনক ফল পাওয়া যায়।

দি ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেস সুস্বাস্থ্য রক্ষা করার জন্য দৈহিক কমপক্ষে ৫০০ মিলিগ্রাম সোডিয়াম গ্রহণের সুপারিশ করছে। জীবনধারণ এবং বংশগত গঠনের ওপর সোডিয়ামের প্রয়োজন একেক জনের ক্ষেত্রে একেক রকম হতে পারে। সোডিয়াম শরীরের প্রধান ভিত্তি। এটা হৃৎপিণ্ডের ছন্দোবদ্ধ গতি বজায় রাখে। সোডিয়ামের জন্য স্নায়ু ও মাংসপেশি কাজ করতে পারে। সোডিয়ামের অভাব হলে দুর্বলতা, স্নায়ুর গণ্ডগোল, ওজন কমে যাওয়া, সল্ট হাঙ্গার, পেশির খিঁচুনি, হজমে গণ্ডগোল, মাথাব্যথা, মারাত্মক পানিশূন্যতা, রক্তচাপ কমে যাওয়া প্রভৃতি স্বাস্থ্যসমস্যা দেখা দেয়। সোডিয়ামের প্রধান উৎস হলো খাদ্যলবণ বা সোডিয়াম কোরাইড।

কোরাইড সুস্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য। শরীরে পানির সমতা বজায় রাখতে, অম্ল ও ক্ষারের সমতা বজায় রাখতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পাকস্থলীর রস হাইড্রোকোরিক অ্যাসিড উৎপাদনে কোরাইড খুবই গুরুত্বপূর্ণ
হ ডায়রিয়া হলে শরীরে থেকে প্রচুর লবণপানি বের হয়ে যায়। তখন রোগীকে সোডিয়াম কোরাইড বা লবণ দেয়া হয়
হ কলেরা রোগীকে সোডিয়াম কোরাইড দেয়া হয়
হ ডায়াবেটিসের রোগীকে শিরাপথে স্যালাইন দেয়ার প্রয়োজন হলে নরমাল স্যালাইন বা সোডিয়াম কোরাইড দেয়া হয়
হ রোগীর রক্তচাপ কমে গেলে সোডিয়াম কোরাইড প্রদানের মাধ্যমে তার রক্তচাপ স্বাভাবিক করা হয়
হ প্রচণ্ড গরমে শরীরে মাংসপেশির সমস্যা দেখা দেয়। প্রচণ্ড ঘামের সাথে শুরু হয় মাংসপেশির ব্যথা ও খিঁচুনি। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য রোগীকে লবণপানি পান করানো হয় এবং খাবারে লবণের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়া হয়
হ গরমকালে স্বাভাবিকভাবে অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার ফলে শরীর থেকে প্রচুর লবণ বেরিয়ে যায়। এর ফলে রক্তচাপ কমে যায়। প্রস্রাব কম হয় এবং মাংসপেশির খিঁচুনি হয়। এসব থেকে রেহাই পেতে সাধারণভাবে গরমকালে লবণপানি খেতে বলা হয়
হ গর্ভবতী মহিলার শরীর ব্যথা করলে, কিংবা পা, গোড়ালি ফুলে গেলে অথবা পিঠ ব্যথা করলে কিংবা কান্তি অনুভব করলে গোসলের পানিতে সামান্য লবণ মিশিয়ে নিলে ক্রমেই সমস্যা কেটে যায়
হ গলা ব্যথার জন্য আট আউন্স হালকা গরম পানিতে আধ চা চামচ লবণ মিশিয়ে গরগরা করলে গলাব্যথা কমে যায়
হ দাঁত পরিষ্কার করার জন্য দু’ভাগ বেকিং সোডার সাথে এক ভাগ লবণ গুঁড়ো করে মিশিয়ে দাঁত মাজলে দাঁত পরিষ্কার হয়, সেই সাথে প্লাক দূর হয় ও মাঢ়ি সুস্থ থাকে
হ নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ দূর করার জন্য বেকিং সোডার সাথে সমপরিমাণ লবণ মিশিয়ে মাউথওয়াশ হিসেবে ব্যবহার করলে নিঃশ্বাস মধুর হয়
হ চোখের কান্তি দূর করার জন্য এক পাইন্ট পানিতে আধা চা চামচ লব্যণ মিশিয়ে ওই দ্রবণ দিয়ে কান্ত চোখ ধুয়ে ফেললে চোখের কান্তি দূর হয়
হ চোখের নিচে ফুলে গেলে এক পাইন্ট গরম পানিতে এক চা চামচ লবণ মিশিয়ে দ্রবণ তৈরি করে তাতে প্যাড বা তুলা ভিজিয়ে ফোলা এলাকায় লাগালে ফোলা দূর হয়
হ পায়ে কান্তি অনুভব করলে কিংবা পায়ে ব্যথা করলে গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে পা ডুবিয়ে রাখলে পায়ের ব্যথা চলে যায়। পরে পা ঠাণ্ডা পানিতে ধুতে হবে
হ মৌমাছি হুল ফোটালে তাৎক্ষণিক জায়গাটিতে লবণ লাগালে ব্যথা কমে যায়
হ বিষাক্ত লতার চুলকানি ও জ্বালা থেকে রেহাই পেতে আক্রান্ত স্থানে লবণ লাগালে উপকার পাওয়া যায়
হ মুখের ত্বকের সজীবতা বাড়াতে অলিভ অয়েলের সাথে সমপরিমাণ লবণ মিশিয়ে মুখের ত্বক এবং গলায় হালকা ম্যাসাজ করলে ত্বক উজ্জীবিত হয়। পাঁচ মিনিট পর ত্বক ধুয়ে ফেলতে হবে
হ ‘সল্ট ওয়েস্টিং’ রোগগুলোতে উচ্চমাত্রার সোডিয়াম ও পানি গ্রহণের প্রয়োজন হয়

ঢাকায় তৈরি হচ্ছে প্যান্টিন, ডাভ, হেড অ্যান্ড শোল্ডার, সানসিল্ক ও ক্লিয়ার শ্যাম্পু -SawdeshBarta24.Com


ঢাকায় তৈরি হচ্ছে প্যান্টিন, ডাভ, হেড অ্যান্ড শোল্ডার, সানসিল্ক ও ক্লিয়ার শ্যাম্পু-Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট-২০আগস্ট ২০১৫

indexফাহমিদা-ত্বক ফর্সাকারী’ বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রীর চটকদার বিজ্ঞাপনে বিভ্রান্ত হচ্ছেন বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ। ‘সৌন্দর্য বর্ধনকারী’ এসব প্রসাধনী সামগ্রী কোনো রকম যাচাই না করেই চোখ বন্ধ করে কিনছেন তারা। ব্যবহারও করছেন সকাল-সন্ধ্যা। কিন্তু ব্যবহারকারীরা কি জানেন, তারা প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছেন প্রসাধনী কোম্পানি দ্বারা। তার উপর রয়েছে আসল কোম্পানির কৌটা, মোড়ক ও বোতল ব্যবহার করে নকল প্রসাধনী উৎপাদন। এগুলো ব্যবহারে ত্বকের কোনো প্রকার উপকারতো হয়ই না উল্টো শরীরে নিয়ে আসে জটিল রোগ। ক্রমাগত এসব প্রসাধনীর ব্যবহার কিডনি জটিলতা, চর্মরোগ, ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, হূদযন্ত্রে সমস্যাসহ দৃষ্টিশক্তি হরাস করে। গর্ভবতী নারীদের পেটের সন্তানও বিকলাঙ্গ হতে পারে এসব প্রসাধনী ব্যবহারে। বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকরা জানান, চিকিত্সা বিজ্ঞানে এমন কোনো ওষুধ আবিষ্কার হয়নি যা মানুষের ত্বক ফর্সা করে।

দেশ-বিদেশের নামি-দামি কিছু কোম্পানির প্রসাধনী হুবহু নকল করে এক শ্রেণির ব্যবসায়ী বাজারে ছাড়ছে। বিদেশি প্রসাধনী ব্যবহারের পর খালি বোতল বা কন্টেইনার তারা সংগ্রহ করে। ওই সব খালি বোতল বা কন্টেইনারে জনস্বাস্থ্যের ক্ষতিকর মার্কারিসহ(পারদ) বিভিন্ন বিষাক্ত দ্রবণ মিশিয়ে তৈরি করে প্রসাধনী। তারপর এগুলোকে বিদেশি প্রসাধনী বলে বিক্রি করছে।

ব্যবহারকারীরা জানেন না, ওই সব প্রসাধনীতে কি বিষাক্ত পদার্থ রয়েছে। ‘এক সপ্তাহে আপনাকে ফর্সা করবে’ মোড়কে এ ধরনের লেখা থাকলেও বাস্তবতা হচ্ছে রাতারাতি ত্বক ফর্সা করার কোনো নিরাপদ পদ্ধতি আজও আবিষ্কার হয়নি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আন্তর্জাতিক চিকিত্সা বিজ্ঞান বিষয়ক জার্নালে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

খ্যাতিমান কিডনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও কিডনি ফাউন্ডেশন সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন অর রশীদ বলেন, ত্বক ফর্সা করার জন্য উত্পাদিত পণ্যে ক্ষতিকর মার্কারি মুখে কিংবা শরীরে ব্যবহার করার পর তা রক্তের সঙ্গে মিশে যায়। যা ধীরে ধীরে ক্রনিক কিডনি রোগ ডেকে আনে। সৃষ্টি করে ক্যান্সার।

চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এম এন হুদা বলেন, ত্বক ফর্সা করার ক্রিমসহ যে কোনো প্রসাধনী ব্যবহারে চামড়ার রং নষ্ট হয়ে সাদা হয়। সাময়িক এই পরিবর্তনে ব্যবহারকারী মনে করেন তিনি ফর্সা হচ্ছেন। প্রসাধনীতে দেয়া বিষাক্ত দ্রব্য রক্তের সঙ্গে মিশে গিয়ে নানা ব্যাধি সৃষ্টি করে। চামড়ায় ক্যান্সার ছাড়াও নানা ধরনের জটিল রোগ তৈরি করে।

র‌্যাবের ভেজাল বিরোধী মোবাইল কোর্টের ম্যাজিস্ট্রেট এএইচএম আনোয়ার পাশা অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভেজাল ও নকল প্রসাধনী জব্দ করেছেন। জড়িতদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডও দেয়া হয়।

সর্বশেষ গত ৭ জুলাই পুরান ঢাকার মালিটোলা ১৫ নম্বর বাড়িতে আনোয়ার পাশা অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নকল ও ভেজাল প্রসাধনী সামগ্রী এবং তৈরির যন্ত্রপাতি জব্দ করেন। মোবাইল কোর্ট ময়না হাজীর বাড়ি হিসাবে পরিচিত ওই বাড়িতে নকল ও ভেজাল শ্যাম্পু, বডি স্প্রে, চুলের তেল, বডি লোশন, ত্বক ফর্সা করার ক্রিমসহ বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রী তৈরির ১৮টি কারখানার সন্ধান পান। বিষাক্ত প্রসাধনী সামগ্রী উত্পাদন ও বাজারজাত করার অভিযোগে মালিক আনোয়ার হাওলাদার ও ছানোয়ার হাওলাদারকে মোবাইল কোর্ট দুই বছরের কারাদণ্ড ও দুই লাখ টাকা করে জরিমানা করে। কারখানা সিলগালা করে দেয় মোবাইল কোর্ট।

ওখানে প্যান্টিন, ডাভ, হেড অ্যান্ড শোল্ডার, সানসিল্ক ও ক্লিয়ার ব্র্যান্ডের নকল শ্যাম্পু তৈরি হত। এছাড়া মেক্স, এক্স, হ্যাভক, ব্রুট ও ডয়েট ব্র্যান্ডের নকল বডি স্প্রে তৈরি করা হত ওই কারখানায়। আসল মোড়ক ও প্রায় হুবহু রঙ-সুগন্ধি ব্যবহারের কারণে ক্রেতাদের পক্ষে আসল-নকল বোঝাটা কঠিন হয়ে পড়ে।কারখানার মালিক ও শ্রমিক মোবাইল কোর্টকে জানায়, ব্যবহূত বোতল ও কৌটা পরিষ্কার করে লেবেল ও হলোগ্রাম লাগিয়ে প্রথমে নতুনের মত করা হয়। পরে সিরিঞ্জের সাহায্যে নকল শ্যাম্পু বা লোশনের তরল ভিতরে ঢোকানো হয়। আসল ব্র্যান্ডের মত একই সুগন্ধি দেয়ায় ব্যবহারকারী আসল-নকলের পার্থক্য করতে পারেন না। সাধারণ দোকানে তো বটেই, অনেক বড় বড় শপিং মলেও এসব পণ্য বিক্রি হয় বলে তারা মোবাইল কোর্টকে জানায়।

তারা জানান, তরল সাবান, স্পিরিট, সুগন্ধি ও রাসায়নিক দ্রব্যের সংমিশ্রণে শ্যাম্পু, কন্ডিশনার, লোশন, সুগন্ধি ও বডি স্প্রে তৈরি করা হয়। পরে এগুলো হয়ে যায় নামি-দামি ব্র্যান্ডের প্রসাধনী। মার্কারি, হাইড্রোকুইনাইন ও হাইড্রোজেন পারঅক্সাইডের সংমিশ্রণে নকল, ভেজাল ও বিষাক্ত প্রসাধনী তৈরি করা হয়ে থাকে। উত্পাদিত এসব বিষাক্ত, নকল ও ভেজাল প্রসাধনী গ্রামাঞ্চলের হাট-বাজার ও উপজেলা শহরে সয়লাব। গ্রামের সহজ-সরল কিশোরী-তরুণীরা না বুঝে এগুলো বেশি ব্যবহার করছে। বিউটি পারলারেও এসব প্রসাধনীর ব্যবহার বেশি।

বিশেষজ্ঞ চিকিত্সক, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ও আন্তর্জাতিক চিকিৎসা বিজ্ঞান বিষয়ক জার্নালে বলা হয়েছে যে, রূপচর্চা করতে গিয়ে আসলে নারী কি মাখছেন তা তারা নিজেরাও জানেন না। রূপচর্চার জন্য মেডিক্যাল চিকিত্সা বিজ্ঞান মতে কোনো ওষুধ আবিষ্কার হয়নি। তাও নারীরা জানে না। তারপর নকল ভেজাল ও বিষাক্ত প্রসাধনী ব্যবহার জীবনে শুধু সর্বনাশা নারীরা ডেকে আনছে।

মার্কারি ত্বক থেকে রক্তে মিশে গিয়ে কিডনি নষ্ট করে ফেলে। গর্ভবতী মায়ের সন্তানের মস্তিষ্কের গঠন বাধাগ্রস্ত করে। পরে প্রতিবন্ধী সন্তান জন্ম হয়। দেশে প্রতিবন্ধী, হাবাগোবা শিশু আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ার জন্য বিষাক্ত প্রসাধনী ব্যবহারও অন্যতম দায়ী। এগুলো অসময়ে গর্ভপাত ঘটায়। বিষাক্ত প্রসাধনী ব্যবহারে স্নায়ুতন্ত্রের ক্রিয়া বিনষ্ট করে স্নায়বিক সমস্যার সৃষ্টি করে। চামড়ায় ক্যান্সার, চামড়া বিবর্ণ, রেশ সৃষ্টি ও যন্ত্রণাদায়ক চর্মরোগ সৃষ্টি করে। ব্যাকটেরিয়া ও ফাংগাসজনিত স্থায়ী রোগ সৃষ্টি করে থাকে। মস্তিষ্কে বিষক্রিয়া করে মানসিক বিকৃতি ঘটায়। পরিপাকতন্ত্রে বিষক্রিয়া সৃষ্টি করে এবং লিভার দ্রুত নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। পরিবারের কোনো সদস্য উক্ত নকল, ভেজাল ও বিষাক্ত ক্রিম ব্যবহার করলে শিশুরা বাম্প বা স্পর্শ দ্বারা অনুরূপ মরণব্যাধি কিংবা জটিলতা আক্রান্ত হতে পারে বলে আন্তর্জাতিক জার্নালে উল্লেখ করা হয়।

বাংলাদেশ পিছিয়ে থাকতে পারে না: প্রধানমন্ত্রী-Sawdeshbarta24.Com


বাংলাদেশ পিছিয়ে থাকতে পারে না: প্রধানমন্ত্রী-Sawdeshbarta24.Com প্রকাশ-আপডেট-২০আগস্ট ২০১৫

pmফাহমিদা-বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের ৬ জেলায় ৯টি ব্রিজ উদ্বোধনের সময় শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।তিনি বলেন, ‘বিজ্ঞান-প্রযুক্তির এ যুগে বাংলাদেশ পিছিয়ে থাকতে পারে না। তাই আমরা ডিজিটাল দেশ করার উদ্যোগ নিয়েছি।’

পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কে শেখ রাসেল ব্রিজের উদ্বোধন ঘোষণা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ আওয়ামী লীগকে ভোট দেয়। তাই অন্য সরকার ক্ষমতায় এসে এ অঞ্চলের মানুষের প্রতি বিমাতাসুলভ আচরণ করেছে।’

কুয়াকাটা নিয়ে স্মৃতিচারণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখার সৌভাগ্য খুব কম লোকেরই হয়। প্রথম যখন কুয়াকাটা গিয়েছি স্পিডবোটে-নৌকায় করে। তখন ওই অঞ্চলের ছিল দুর্গম অবস্থা। ‘৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে কুয়াকাটায় পর্যটন কেন্দ্র নির্মাণ করি। যোগাযোগ ব্যবস্থা ঠিক করি। ওই অঞ্চলে বিশাল বিশাল নদী, সেসব নদীর যেসব স্থানে ব্রিজ বানালে দ্রুত সড়ক পথে কুয়াকাটা যাওয়া যাবে, সে হিসেব করেই এসব নির্মাণ করা হয়েছে।’

এর ফলে কুয়াকাটায় আরো বেশি পর্যটক যেতে পারবেন এবং স্থানীয় আর্তসামাজিক প্রেক্ষাপটের উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন শেখ হাসিনা।